আমার ইসলাম – 1

February 6, 2007

চিন্তা করছি হতভাগাদের জন্য বিষয়টি কিভাবে উপস্থাপন করবো। হতভাগাদের জন্য বাক্যের লুটোপুটিতে বোধগম্য বাক্য তৈরীর জ্ঞান গরিমা আমার নেই। কিংবা লিংগুইস্টিক তঘমাও আমার নেই। সমুদ্রের ফেনা থেকে জলচর মাছ, তারপর উভচর আধা মাছ- আধা পাখী, তারপরে বনের জন্তু জানোয়ার। অতঃপর একদিন লেজ গঁজালো কিছু দিন বাদে লেজ যখন খসে পড়লো তখন নিজেকে যারা মানুষ ভাবতে শুরু করলো তাদের মূলত সকল কিছুর পরির্বতন ঘটলেও বানর জাতের উচ্চ বিটলামি সম্পন্ন ঘিলুটার মতো তাদের ঘিলুটা অপরির্বতীয় রয়ে গেছে। তাদের যুক্তি এতো সুন্দর যে আমি রীতিমতো টাসকি খাই। অবশ্য শয়তানের যুক্তিও সুন্দর ছিলো।

এক ব্লগারকে দেখলাম যে কয়েক জায়গায় খুব আবেগী হয়ে প্রশ্ন করছে ‘আমি হেন্দু আমার কি হবে?, আমার অনেক পূজোঁ আমার ছুটির দিন কোনটি হবে?’ এভাবেই প্রশ্ন করেছে। এবং একপর্যায় এসে বললো “শালার বাংলাদেশ”! কথার ধরনে আমার সন্দেহ হয় বেচারা আদৌ কোন ধর্মের অনুসারি কিনা! এখানে যা বলবো তা শুধু সেই ব্লগারের জন্য না বরং সে সকল উচ্চ বুদ্ধিসম্পন্ন ভাচর্ুয়াল বুদ্ধিজীবিদের জন্যও যারা মনে করেন ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা চালু হলে অন্যান্ন ধর্মালম্বীদের কি হবে? কেউ কেউ আবার আমাদের জলিল সাহেবের মতো হিসাব নিকাশ করে বলেন ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হবে! আরো অনেক কিছু যার কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি পর্যন্ত নেই। তবে আমি জানি এই লেখার বিরোধীতা কোন অমুসলিম করবেনা। তবে দুই একজন যে নাক সিটকাবেনা সেটার গ্যারান্টি আমি দিবোনা। তবে যাদের করার প্রবাবিলিটি আছে তারা আমার নামধারি জ্ঞাতি ভাই। কারণ স্বজনের দুশমন হওয়ার ইতিহাস বড় পুরানো। এটা স্বর্বজন স্বীকৃত বিষয়। তাই বলি কি হাতের কাছে ঠান্ডা পানির মগ রাখবেন। কে জানে কখন মাথা ঠান্ডা করার জন্য প্রয়োজন পরে!

দেখুন আল্লাহ তায়লা কুরআন শুধু মুসলমানদের জন্য পাঠাননি বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য পাঠিয়েছেন। তিনি শুধু মুসলমানদের এর রক্ষক বানিয়েছেন। তিনি আমুসলিমদের জন্য জল আর মুসলিমদের জন্য পানি তৈরী করেননি। কিংবা মুসলমানদের জন্য চাঁদ- সূর্যের আলোর পাওয়ারও বাড়িয়ে দেননি। মানবিক অধিকারের বেলাতেও কোরআনে মুসিলিম আমুসলিমের মাঝে পার্থক্য করা হয়নি। তাই ইসলামের কাছে নিজেদের অবাঞ্চিত মনে করার কোনই অবকাশ নেই। আর তাই দেশ চালনার জন্য আল্লাহ যদি কোন বিধান দিয়ে থাকেন তবে সেটাতেও আপনাদের সমান অধিকার আছে। আপনি ইচ্ছে করলেই ইসলামী রাষ্ট্রকে সাহায্য করতে পারেন। কিভাবে করবেন সেটাও আপনার ইচ্ছে। আপনি মুসলমান হয়ে করলে আল- হামদুলি্ললাহ আর আমুসলিম হয়ে করলেও আল-হামদুলি্ললাহ। অমুসলিম থেকে কি ভাবে সম্ভব? কি বলতাছে ওয়ালী এগুলি। বিশ্বাস করেন আর নাই করেন অমুসলিম থেকেও মানে নিজ নিজ ধর্ম পালন করেও রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ইত্যাদী ক্ষেত্রে কুরআনের বিধানকে সমর্থন করতে পারেন। যদি অন্যান্ন মতবাদের সাথে তুলনা করে কোরআনের বিধানকে অধিকতর কল্যানকর মনে হয় তবে মানতে সমস্যা কোথায়? এমনতো কোন কথা নেই আপনি ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদের বিশ্বাসী হলেই মুসলামন হয়ে যাবেন। আর কেউ যদি হিন্দু থেকেই সমাজতন্ত্রকে গ্রহণ করতে পারে তবে যুক্তির খাতিরে কেন ইসলামকে নয়? মুসলমান হওয়াটা আপনার জন্য আদৌ বাধ্যতামূলক না এটা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত বিবেচনা। এর জন্য ধর্মনিরপেক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই ধর্মনিরপেক্ষতা আপনাদের কি দিয়েছে তার জন্য পরের প্যারাতে ছোট খাট পরিসরে ইতিহাস তুলে ধরা প্রয়োজন কারণ আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেই না শুধু ব্যবহার করি।

বর্তমানে বাংলাদেশে এক কোটিরও বেশী অমুসলিম রয়েছে যার 4 ভাগের 3 ভাগই হিন্দু ধর্মালম্বী। বাংলাদেশের মুসলমানদের মতোই পৈত্রিক সূত্রেই শত শত বছর ধরে তারা এদেশে বসবাস করছে। দ্বিজাতী তত্বে যে হিন্দু মুসলমান সম্পর্ক তিক্ত হয়েছে সেটা বলা বাহুল্য। কিন্তু মজার ব্যপার হচ্ছে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরে এই তিক্ততা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে কমতে থাকে। এমন কি ভারতে মুসলিম হত্যা চলতে থাকলেও পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমানদের মাঝে কোন খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। বরং সম্পর্কের আরো উন্নতি হয়েছে। 54 এর প্রাদেশিক আইন পরিষদের নির্বাচনেও এই সম্পর্ক বিনষ্ট হয়নি। পৃথক নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম ভোটারদের ভোটে মুসলমান এবং হিন্দু ভোটারদের ভোটে হিন্দু প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিলো। ফলে রাজনৈতিক অঙনেও হিন্দু মুসলমানের কোন বিরোধ সৃষ্টি হয়নি।

কিন্তু সেই প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিপুল ভাবে জয় লাভ করলেও শেরে বাংলা এবং আওয়ামী মুসলিম লীগের মাঝে ক্ষমতার দ্বন্দ শুরু হয়। যুক্তফ্রন্ট দুইভাগে বিভক্ত হলো আর এর ফলশ্রুতিতে আইন পরিষদের হিন্দু সদস্যদের হাতে ক্ষমতার ভারসাম্য চলে যায়। তবে প্রথম দিকে হিন্দু সদস্যার শেরে বাংলার সাথেই ছিলো। 54 সালের শেষ ভাগে হিন্দু সদস্যদের সমর্থন লাভের আশাতে ধর্মনিরপেক্ষতার আর্বিভাব ঘটানো হয় আর এর দোহাই দিয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি কর্তন করা হলো। আর 56 সালের দিকে আইন পরিষদে যুক্ত নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যার ফলে আওয়ামী লীগ আইন পরিষদে মন্ত্রিসভা গঠনে সক্ষম হয়। সে সময় হিন্দুরা কেন যুক্ত নির্বাচনের সমর্থন করলো সেটা তারাই ভাল বলতে পারবে আর তাতে সত্যি তাদের কোন উপকার হয়েছে কিনা সেটাও তারা বলতে পারবে। কিন্তু যুক্ত নির্বাচনে হিন্দু মুসলমানের মাঝে প্রতিযোগীতার সৃষ্টি হয় ফলে ভোটের মামলায় আবার তিক্ততা শুরু হয়। হিন্দু ভোটারদের তুলনায় মুসলিম ভোটদাতাদের সংখ্যা বেশী হওয়ায় শুধু ভোটে কোন প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভবনা থাকলো না। এর ফলে হিন্দু ভোটারদের নিয়ে টানা হেঁচরা করার সুযোগ হলো। আর হিন্দু জনসংখ্যার ভিত্তিতে তারা পার্লামেন্টে কোন প্রতিনিধিত্ব পেলনা। ভিন্ন দিকে মুসলিম ভোটার থেকে তারা কোন সম্মানজনক পজিশনও পায়নি। হিন্দুদের জন্য এটা লাভজনক প্রমানিত হয়নি।

বর্তমানে দেখলে দেখা যাবে বাংলাদেশের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটাররা আওয়ামী লীগকে পছন্দ করেনা। আর যে কারনেই হোক বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ভারতকে নিঃস্বার্থ বন্ধু মনে করেনা। অথচ তারা আওয়ামী লীগকে ভারতের বন্ধু মনে করে আর হিন্দুদেরকে আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে ধারনা করে। পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা থাকলে এরকম ধারণার সৃষ্টি হতো না।

আমি হিন্দু মুসলিম পৃথক নির্বাচন চালুর পক্ষে যাতে আপনাদের স্বকিয়তা ফিরে আসে, যেন ধর্মনিরপেক্ষতার গ্যড়াকলে আপনারা বাংলাদেশের মাটিতে নিজেদর অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন এবং যার সমাধান কেবল মাত্র ইসলাম’ই দিতে পারে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে আমি বিবেচনা করতে পারি প্রস্তাব দিতে পারি না। এটা তাহলে চাপের পর্যায়ে বিবেচিত হতে পারে। সংখ্যালঘু হিসেবে প্রস্তাবটা আপনাদের কাছ থেকেই আশা করাটা অধিক যুক্তিযুক্ত। সিদ্ধান্তটি পুরোপুরিই আপনাদের স্বাধীন ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে।

আর এটাই আমার ইসলাম। কারো কারো মতে জামায়াত – ই – ইসলাম!


কি বলবো…?

February 1, 2007

তত্বাবোধায়ক সরকারকে অবৈধ না স্বীকার করার কোন কারণ দেখিনা। কথা নেই বার্তা নেই সামরিক শক্তিকে নির্ভর করে আসলেন মাজা দুলিয়ে দুলিয়ে রাজকীয় আসনগুলোর শোভা বর্ধণে বসলেন আর বৈধতা নামক কলার ছাল ছিড়ে নতুন আইন প্রনয়ন করে চলেছেন দেশকে রক্ষার জন্য। তাহারা এখন দেশ রক্ষার ‘ইসকে জুনুনে’ ব্যস্ত। এইটা জনগনের সরকার না তাই তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। তবে তাদের কার্যক্রম যে একেবারে খারাপ তা বলতে আমি বাপু নারাজ। শুধু বলবো অবৈধ ভাবে সাওয়ার হয়ে বৈধ কার্যক্রমের বৈধতাটাই বা কি? আমার বড্ড খায়েস ছিলো ফকরুদ্দিন সাহেবকে একটা প্রশ্ন করার। কিন্তু শেষে দেখলাম বেচারাকে প্রশ্ন করলে যোগ্য মানুষকে প্রশ্ন করা হয় না। এমন কাউকে পশ্ন করা উচিৎ যে জবাবটি দিতে পারবে।

যাই হোক একটু ভিন্ন প্রসংগে যাই। পুষ্টিবান এবং পুষ্টিকর আইনজীবি ড: কামাল হোসেনও কম হাসির খোরাক না। দুর্যোগের মুহুর্তে উনি বিদেশ ভ্রমনে ব্যস্ত থাকলেও দূনর্ীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার। নীতি কথা আওরানো উনার স্বভাবজাত বৈশিষ্ট। কারণ দেশের গুরুত্বপূর্ন জাতীয় বিষয়গুলোতে উনি অযথা পরামর্শ দিয়ে জাতীকে রক্ষা করেন। 91 এ আওয়ামী সান্ডাদের হাতে মার খেয়েও উনি হাসিনার দিকে দন্তবিশ্রিত হাঁসি দানে কৃপণতা করেন না। উনি সত্যিই জেন্টালম্যান! উনি মনে হয় কাকের কা কা বিষয়ক উক্তিটা হাজমলা ছাড়া সম্পূর্ন হজম করতে সক্ষম হয়েছেন। তাই হয়তো সুপ্রিম কোর্টের রেফারেন্স পাঠানোর বিষয়েও উনার মন্তব্যটা স্ববিরোধী। নিজেকে দেশের একমাত্র সংবিধান বিশেষজ্ঞ মনে করলে এমন ভুল হতেও পারে। এটা সুবিধামতো সংবিধানের অপব্যাক্ষ্যার পর্যায়ে পরে। আমীর- রোকন গং, কি বলা যায় তাদের নিয়ে। যদিও নামের মাঝে জামায়াতের ক্যাডার ভিত্তির একটা গন্ধ আছে তাও তারা এর সম্পূর্ন বিপরীতই। পদচুম্বনের ষোল কলা এনারা রপ্ত করেছেন। 6ই জানুয়ারী বলেন রেফারেন্স নেয়া যায় আর 26এ জানুয়ারী বলে রেফারেন্স নেয়ার প্রয়োজন নাই। হ্যালো, হ্যালো আর ইউ গাইজ আউট অফ ইয়োর মস্তিস্ক; নো না, এবসুলেইটলি না, উই হ্যাভ এ্য সংবিধান ওন আওয়ার পকেট; ইউ ওয়ানা সি ইট… !!!

আরো একজনকে নিয়ে ইদানিং চিন্তা হইতাছে ব্যারিষ্টার মাঈনুল হোসেইন। 75 এর মাঈনুল সাহেব আর 2007 এর মাঈনুল সাহেবের মাঝে বিরাট ফারাক।

মাথামোটা বাংলা ভাইয়ের সৎ ভাই জঙ্গী আন্দেলোনে বিশ্বাসী ইনুদের নিয়েও কম হাসি না কারণ গণবাহিনী আর লাল বাহিনী আজ পরম মিত্র।

ভিন্ন দিকে ব্যবসায়িক দিক পালেরা বোতল থেকে সাপ্তাহিক ছুটির ভাইরাসটা ছেড়ে দিয়েছে। সাথে সাথে গীতি আরা সোফিয়া র্নিলজ্জের মতো পক্ষপাতমূলক মন্তব্যের হাঁচিতে হাঁচ্চু হাঁচ্চু করছেন আর এমন ভাব করছেন যেন এটা ছোঁয়াচে রোগ না। আল- কোরআনে কোন সাপ্তাহিক ছুটির দিন উল্লেখিত নেই। কিন্তু এটা যদি শুধু আক্ষরিক অর্থে নেয়া হয় তবে আমাদের কোন সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকা উচিত না। যেমনটা থাকা উচিৎ না জুইশদের শনিবার আর খৃষ্টানদের রবিবার। ওয়ের্ষ্টান কালচারের দিয়ে ইসলামী কালচারকে ধুলিসাৎ করার মধ্যে দিয়েই সুশিল হওয়া যায়না। 25 বছর ধরে বাংলাদেশে ছুটির দিন শুক্রবার। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকার পরেও প্রতি বছর আমদানী- রপ্তানী 10- 20% বৃদ্ধিই পেয়েছে কমেনি কখনো। আর গণতন্ত্রই বা কোথায় গেল? যেখানে 66 শতাংশ মানুষ চায় শুক্রবার ছুটির দিন। এইটা আমার কালচার তাই তাদের উর্দ্ধবাহু নেত্য দেখলে নাঁক সিটকাবো।

আরো আছে। পদত্যগের হাওয়া বইছে। যারা পদত্যাগ করেছেন এবং করবেন তাদের সবাইকে সাধুবাদ জানাই কারণ গণতান্ত্রিক ভাবে মনোনীত ব্যাক্তিদের অগণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে অসম্মানিত হওয়ার চেয়ে সম্মান থাকতে থাকতে বিদায় নেয়া ভাল।

ও ভাল কথা গণতন্ত্রের মনসকন্যা এখন স্কুল কলেজের বান্ধবীদের সাথে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। কিন্তু আমার মাথাতে ঢুকেনা যে হুট করে কথা নেই বার্তা নেই টুঙ্গীপাড়ায় সফরের কারণটা কি? আর সংবাদপত্র সহ টিভি মিডিয়াগুলো ফলাও করে নিউজটা দেয়ার কারন কি? সফট কর্নার? জনগনকে ইমশোনাল ব্ল্যাক মেইল? হইলেও হইতে পারে! তাতে কি?

আর দে এনিমিস অফ দ্যা স্টেট? হুমম… কেন না? হইতেই পারে। কারণ পূর্বে প্রমাণিত।

এগুলো নিয়ে কথা বলতে গেলে শেষ হবেনা তাই মূল বক্তবে ফিরে যাই। সু-পাত্রে প্রশ্ন করতে চাইছিলাম। দেখলাম আমেরিকার বিউটি আপা আর লন্ডনের আনোয়ার ভাই সু-পাত্র। কিন্তু বিউটি আপার স্টেট অব ইর্মাজেন্সি মিশনটা সাকসেসফুল তিনি এখন বাগদাদে গণতন্ত্র এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে যাবেন! তাই আনোয়ার ভাইকেই প্রশ্ন করি। ভাই বাংলাদেশে নির্বাচন কবে হবে? (সিলেটি কেউ থাকলে একটু অনুবাদ কইরা দিলে কৃতার্থ থাকিব।)

2007 সালের শুরুটা সত্যিই ইতিহাস হয়ে থাকবে।