আমি এখনো নিশ্চিত হতে পারলাম না এই সরকার দূর্নীতির উচ্ছেদ চায় কিনা। কারন এই দূর্নীতি চলছে রাজনীতিসম্পৃক্ত কয়েকজনকে ঘিড়েই। অথচ ব্যবসায়িরা ছাড় পেয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের এত্ত এত্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এগুলো কি সব তাহলে দূর্নীতিমুক্ত! এ পর্যন্ত দূর্নীতির জন্য সামরিক বা বেসামরিক কোন আমলাকে ধরা হয়নি। এটা কি ভাবে দূর্নীতি বিরোধী অভিযান হয় আমার মাথাতে ঢুকে না।আমি একটা সত্যিকারের দূর্নীতি বিরোধী অভিযান চাই তবে সেটা অরাজনৈতিক ভাবে নয় রাজনৈতিক ভাবে। কিন্তু অপর দিকে বাংলাদেশে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো রাজনীতি চায় না। চায় না বিনিয়োগ যেটা চায় সেটা হচ্ছে লুটপাট আর তার সাথে আমাদের সিভিল সোসাইটি নামক পরদেশীর তল্পিবাহকরা সবসময় ছিলোই। সংবাদপত্রগুলোর একই অবস্থা অথচ তারা নিজেরাউ রাজনীতি করে। একটি বহুজাতিক কোম্পানির বিজ্ঞাপনই যখন গনমাধ্যমের আয়ের প্রধান উতস হয়ে উঠে তখন কিছু কিছু গণমাধ্যম ব্যবসায়িক স্বার্থে তাদের নীতি পরিবর্তনে পিছপা হয়না। সেখানে তাদের রাজনীতি সর্ম্পকে আমাদের সচেতন হওয়া দরকার। ফকরুদ্দিন সাহেবের মোষের পালের কর্মকান্ড দেখে মনে হচ্ছে দূর্নীতি কেবল রাজনীতির মাঝেই। বাংলাদেশ রাজনীতি যারা করে তাদের ছাড়া সকলেই ফেরেশতা এটা মানাটা আমার জন্য কষ্টকর। এভাবে হয়তো সাময়িকভাবে জনগনকে সন্তুষ্ট রাখা যায় তবে এটা একটি বিপদ। ইতিমধ্যে তারা সেটা আঁচ করতে পেরেছে (হয়তো)। তৃণভোজীদের সুখ লতায় পাতায় কিন্তু বর্তমান ডিকটেটরের সুখ যে কোথায় এটা আমি আইডেন্টিফাই করতে পারলাম না। হতে পারে উনার কাছে বাংলাদেশটা কেনা মাল তাই লাভে বিক্রয় করতে চাইছেন। তবে এতটুকু বুঝতে পারছি আমরা যথেষ্ট সচেতন না তবে হঁ্যা আমরা ডিজুস সচেতন। রাজনৈতিক আধিকারের দরকার নেই আমাদের দুনিয়ার সুখ ওয়ানলি ওয়ান মাই ডিজুস। জরুরী অবস্থা জিন্দাবাদ, সুখ পাইলেই হইলো, রাজনৈতিক দলের কি দরকার! গলিতে গলিতে তৈরী হবে ডিজুস দল! ফালতু, এক্কে বারে ফালতু। বর্তমানেও যা দেখছি তা হচ্ছে আইন সকলের জন্য সমান নয় কিন্তু এতো কিছুর পরেওতো জিহবা কামড়ে ধরাটা শিখতে হয়। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে বর্তমানে যাদের দূর্নীতির দায়ে ধরা হয়েছে তারা যখন ছাড়া পাবে তাদেরকে কোরবানীর গরুর মতো মালা পড়িয়ে আনন্দ উল্লাস করবে জনগন কিন্তু সেটা কোরবানী দেয়ার জন্য নয় বরং বরণের উল্লাস হবে। কারন আমরা জিহবায় কামড় দিতে শিখিনি। আরো কারন হতে পারে যেমনঃ একজন ব্যাক্তি দূর্নীতিগ্রস্থ হওয়ার পরেও সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী এবং শক্তির ভারসাম্যের কারনে গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠে। আবার শত্রু- মিত্র বিভাজনে দূর্নীতিবাজও রাজনৈতিক প্রতীক হয়ে উঠে। দূর্নীতির নামে শুধুমাত্র রাজনীতিবীদদের জেলে ঢোকালে পরিস্থিতি বিপজ্জনক হতে বাধ্য। তবে আমি সন্তুষ্ট। না না এদের ধরে বেধে জেলে পোরানোর জন্য নয়। আমি সন্তুষ্ট এই জন্য যে খালিশপুরের শ্রমিকরা বুঝেছে যে গণতান্ত্রিক সরকার আর জরুরী অবস্থার সরকার এর মাঝে কোন তফাত নেই। এটাও ধনীদের সরকার। মঈনুল- মতিনদের বলবো “থামলে ভাল লাগে··· গদিতে বসে আপনাদের তুষ্টের হাঁসি এবং পা চাঁটা নীতি মোটেও ভাল লাগছে না। আমি জানি না কালকে কি হবে। তবে ভয় পাবেন না বরং নিশ্চিত থাকুন রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই।
ভিন্ন ২৮শে আক্টোবর ২০০৬ থেকে এপ্রিল ২০০৭ পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বে ভালো আলোচিত হয়েছে। রাজনৈতিক হত্যা, জরুরী অবস্থা থেকে খেলার মাঠে বাংলাদেশের সাফল্য এবং পরাজয়··· ৩১তম ধনী দেশ··· ব্ল··· ব্ল··· ব্ল··· ব্ল··· এগুলো জপে জপে কিংবা ধুয়ে পানি খাই এখন আমরা। ভোগাস··· এতগুলো বছর গেলো তারপরেও আমরা নিশ্চিন্তে বসবাসের কোন উপায় খুঁজে বের করতে পারলাম না।
হাসিনার আবেগ- আপ্লুত ন্যকামিটা এবারও পছন্দ হলো না। ভয়ে আছি ভদ্দর মহিলা জিয়াতে নেমেই না আবার বলে বসেন “আমি ক্ষমতায় গেলে বর্তমান সরকারের সকল কর্মকান্ডের বৈধতা দিবো।” আর একান্তই যদি বলে বসেন তবে অনুরোধ থাকবে আরো একটি লাইন যোগের জন্য ” আমার বিরুদ্ধে যা করা হবে সেগুলো বাদে”।
