May 10, 2007
পশ্চাদমূখীদের শব্দের ব্যবহার। পুরানা জামানার বাক-রীতি। ইহা লালন করিয়া অধুনিক সংলাপ!? হা… হা… হা… দিস ইজ ঠোঠ্যালী ন্যাঁকামী ম্যান। দিস ইজ প্রগতীর অন্তরায়। ইউ শুড বি প্রগতীশীল ম্যান। লিসন মি, শীত গরম ১২ মানথ পরিধেয় বস্ত্রের রুটিনে থাকিবে পাজামা আর খদ্দরের লম্বা পাঞ্জাবী।
চাদর কি লাগিবে একখানা দাদা?
খবরদার শুধু কাঁধে ঝুলিয়ে রাখবি কশ্মিন কালেও মুরি দিবি নে যেন। ক্ষুর কাঁচির স্পর্শ ছাড়া লম্বা দাড়ি নতুবা নিত্য শেভ। কঁলকির ধুর্ম্রজালে আচ্ছাদিত ফ্রেম। আর শোন ঐযে আছে না… ঐযে… আরে ঐযে… হ বুঝছি। দেখলেই নাক শিটকাবি গালি দিবি শালা প্রতিক্রিয়াশীল, সেকেলে, মধ্যযুগীয়, ধর্মান্ধ, কুপমন্ডুক, মৌলবাদী বইলা। বেটা ‘ইয়াতিম’ কোথাকার আগে কি তোর কোন ‘যিন্দেগী’ ছিলো? ৩৬ বছর অপার বাংলার শব্দ চয়ন এবং স্টাইল এর ব্যাপারে ‘তালিম’ দিলাম ‘মেহেরবানী’ করিয়া ‘কামিয়াবে’র জন্য ‘এন্তেজার’ কর! ‘তরক্কী’ দেখিবার পালা এখন।
চলার পথে হাজারো রং তামাসা নজরে পড়ে আমার, তখন ভাবি আর মনে মনে বলি লাথি মারি তোর বানোয়াট আদুরে স্বদেশী ভাবের কপালে। কারন তোর ‘ইলম’এ আমার মোটেও ‘তালিম’ নাই, ‘ঈমান’ও নাই। হিতোপদেশের ধারের কাছে নাই বরং হাততালি দিয়ে বলিবো হেতা-হেতীর নেটনামচায় যাও। অতঃপর হও আগোয়ান, চিত্ত-সুখে নিত্য আনন্দ করো। ইচ্ছে হয়তো কাপড়ের জঞ্জালমুক্ত হইয়ে বানর নৃত্য করো। অথবা ন্যাংটো পাগলটার মতো আনন্দে দিওয়ানা হয়ে ছাগল সেজে না হয় দর্শকদের পাগল করো। কাকের মতো নয়ন মুদিয়া নিমফল খাও। অবশ্য যাদের বিবেকের আয়নায় মুখ পড়ে না তারাই বেশী ফাল পাড়ে। লাগামহীনভাবে বুলি ছাড়ে। আর আমি দর্শক সাড়িতে বসিয়া উইদ’আউট লাউড স্পীকারে চিল্লাই “মারহাবা”, “মারহাবা” ওয়ান’স মোর।
পরিশেষে রিপিট করিবো যাযাকুমুল্লাহ খাইরুন।
Leave a Comment » |
আগডুম বাগডুম | Tagged: BBA, some where in blog, somewhereinblog |
Permalink
Posted by Iqram
May 6, 2007
এই লেখাটা লেখা হয় সামহোয়ার ইন ব্লগে ব্লগিংকে কেন্দ্র করে।
মুক্তি সংগ্রাম। দেশের পাড়া গাঁয়ের চায়ের দোকান থেকে অথবা ঢাকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রত ফাস্ট ফুডের দোকানে অফিস বা ক্ষেতের কাজ কামাই দিয়ে চুটিয়ে রাজনৈতিক আড্ডা। কিংবা প্রবাসের গেট টুগেদার পার্টিতে একবাক্যে সবাই বলে ব্যাক্তির চাইতে দল বড়, দলের চাইতে দেশ বড়···। যেখানে যাই সেখানেই বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনা। এইসব আলোচনায় ফেমাস বুদ্ধিজীবি, নিরব বোদ্ধা কিংবা নিতান্তই রোড মাস্টার, তার্কিক, বাচাল সব ধরনের মানুষই থাকে। তেনারা কেউ কেউ শেখ সাহেবের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করে আবার কেউ আবার কেউ কেউ জিয়ার অথবা তার বিবির গোলাপী সাড়ীতে কাঁদা মাখাতে ব্যাস্ত থাকে। রাজাকার ইস্যু আসলে এক একজন দেশ বলতে বলতে হার্ট এ্যটাক করে। কেউ আবার ছাত্র- শিক্ষককে দায়ী করে। কেউ দোষ দেয় আমেরিকা, ভারত, বৃটেনের। আবার কেউ দোষ দেয় বাংলাদেশীদের খাসলতকে। তখন নিজেদের ৩২ গোষ্টী উদ্ধার করতেও আমরা পিছপা হইনা। কেউ কেউ আবার সম্রাট আওরঙ্গোজেবকে টেনে আনেন। সকাল বিকেল জোয়ার ভাটার মতো উঠা নামা করে এক একজনের আবেগ। একজনকে ৯৭ ভাগ ভোট দিয়ে হিরো বানানো হয় তার মৃত্যুর পরেই আবার সকলে আল্লাহর শুকুর গুজার করে। কারো মতে দেশের উন্নতীর বাধা ইসলাম যাকে অনেকে ট্রিট করতে পছন্দ করে ইসলামী সন্ত্রাসবাদ। কেউ কেউ আবার সরাসরি জামায়াতে ইসলামীকে টেনে আনে। কেউ কেউ আরেকটু আগ বাড়িয়ে ইসলামকেই একটি জাতীর উন্নতীর পথে বাধা মনে করে। যত্তসব মাথা গরম করনেওয়ালাদেও স্থান ঐ ইসলামের ছায়াতলে! ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করাটা হারাম। আল্লাহর শেষ নবী নাকি বলে গিয়েছে এই কথা। কারো মতে হাফাজ্জী- আমিনী টাইপের চিন্তটাই ব্যাকডেটেড, সংসার বিমুখ। কারো কাছে ধর্মহীনতা, নাস্তিকবাদটাই যত নষ্টের মূল। শত যুবকের জীবন নষ্টকারী সমাজতন্ত্রও আছে এর মাঝে। অনেকে রাগে তারাতারি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে। আবার কিছু কিছু যায়গায় হাতাহাতিও হয়। মাই ওয়ে ইজ দ্যা হাই ওয়ে। আমাদের মাঝে অপরেরটা গ্রহণ না করার রোগ আছে। হতে পারে সে সাদা চামড়ার আধো ন্যাংটো ককেশীয়ান অথবা আলখেল্লা পরে মাথাতে খাপছা মারা আরব কিন্তু সারমর্ম হচ্ছে আমাদের আরো শোনা উচিত বলা নয়। আরো পড়া উচিত লেখা নয়। ডিগ্রীতে নয় জ্ঞানে বড় হওয়া দরকার আমাদের। আমাদের মাথা গরম। ৯২- ৯৩ এর গোলাম আযম ক্রেজ ছিলো। তাকে নিয়ে কিনা হয়েছে সে সময়। কি লাভটা হয়েছে বরং খুজলে হয়তো পাওয়া যাবে কয়েকজনকে যারা তাকে নিমূর্ল করতে গিয়ে নিজেদের ছাত্রত্ব নিমূল করেছে। আমরা নিজের দলের নেতাদের অন্ধভক্ত কিন্তু অন্য নেতাদের ছায়াও আমরা দেখতে পারিনা। হতে পারে যে কারণে আমরা তাদেও ঘৃণা করি তা মিথ্যাচার। কিন্তু একবারো কি আমরা জানতে চেয়েছি যে নেতাকে আমরা ঘৃণা করি তার মধ্যে এমন কোন গুন থাকতে পারে যা দেখে আমি অনুপ্রাণিত হতে পারি। পশ্চিমারা স্বার্থপর, শয়তান, প্রতারক এ ব্যপারে কারো দ্বিমত থাকার কথা না কিন্তু তাদের মাথা গরম না।
আমরা অনেক বুদ্ধিমান জুতার ফিতার গিট্টু মারা থেকে হার্ড বা সফট জেল দিয়ে আমরা চুল আচড়াতে পারি। আমাদের মাঝে মেধার অভাব নেই, এটা দিবালকের মতই সত্য। সাথে সাথে আমরা সাহসীও। জানি আমরা নানান যুক্তি, তত্ব এবং তথ্য। কিন্তু একবারো ভাবিনা একজনের দিকে আঙুল তুলে যখন শান্তির ঢেকুর তুলি তখন হাতের বাকী আঙুলগুলো নিজের দিকে থাকে। অন্যকে সেকেলে অথবা বর্জুয়া বলে বসি। সকল কিছুতে আমার জয় নিজেদের জয় জয়কার চাই। রাস্তা ঘাট, কার্লভার্ট, চেয়ার টেবিল, গাছের পাতা, নদীর মাছ, মুরগী খামার সবখানেই আমার নাম, আমার সুনাম, কতিত্ব বজায় রাখতে হবে নইলে আমি দেউলীয়া। শ্রেফ রোগ এটা।
এই সব অনুষ্ঠানে যাবার সুযোগ হলে যাই আর চুপচাপ থাকি মাঝে মাঝে দাঁত কিড়মিড় করে উঠে। ঠোঁটও কামড়াই। আবার মাঝে মাঝে শক্ত করে হাসি চেপে রাখি। আর মনে মনে বলি আমার প্রিয় ফেমাস বুদ্ধিজীবি, নিরব বোদ্ধা কিংবা নিতান্তই রোড মাস্টার, তার্কিক, বাচাল ভাই (ও বোনেরা) মেজাজ ঠান্ডা রাখুন। নিজের পরিমন্ডল থেকে বেড়িয়ে আসুন, খাবার দাবার ঠিকমতো খান, নিয়োমিত ঘুম পাড়ুন, প্রাতক্রিয় ঠিকমতো সাড়ছেন নাকি খেয়াল করুন। ঠিকমতো না হলে যথেষ্ঠ পরিমাণে পানি পান করুন। শাক- সবজী খান এবং হাসি মুখে থাকুন। আর অন্যকে জানার চেষ্ঠা করুণ অন্যকে বোঝার চেষ্ঠা করুণ। যেতে যেতে আমাদের একটা নমুনা নিচে দিয়ে গেলাম।
একটা বই দেখে রহিম বলবে আমি এর চাইতে ভালো বই লিখতে পারবো। করিম বলবে শালা তুমি বই লিখতে পারবা না। তোমার বাপ- দাদা কোনদিন অ, আ লিখছিলো? আর আবুল বলবে বাপরে বাপ এই বই একমাত্র মহাপুরুষই লিখতে পারবে। আমার মতো ছোট মানুষের কাজ এটা নয়। ছাগলের দল! সবুজ শ্যামল বাংলাদেশের তরতাজা ঘাসের এ্যাডভান্টেজ যদি এটা হয় তাহলে এই সবুজ শ্যামলের দরকার নাই আমার। আমাদের মাথাতে বুদ্ধি আছে কিন্তু মাথাটা বড্ড গরম তাই কিছু করতে পারি না। তাই আমরা মুক্তির জন্য সংগ্রামই করে গেলম কিন্তু সেই সংগ্রামে জয় আজও পেলাম না।
Leave a Comment » |
Atheism, Islam, bangladesh, jamaat, আগডুম বাগডুম, রাজনৈতিক প্যাচাঁল | Tagged: virtual politics |
Permalink
Posted by Iqram
May 4, 2007
সবকিছুর নিরব স্বাক্ষী হয়ে থাকতে হয় তাকে। সবকিছু জানার পরেও মুখ খুলা উচিত না। মুখ খুললে তার নিজের কিছু আসে যায় না তবে অন্যের অবশ্যই আসে যায়। বিষয়গুলো অন্যদের কুঁড়ে কুঁড়ে খাবে। কাজটা করা তাই কাম্য নয়। যাদেরকে পছন্দ করে সে তাদের ইচ্ছে মতো উত্তর দেয়াটা ইদানিং একটা স্বভাবে পরিণত হয়েছে তার। খুব ভালই বুঝতে পারে সে, নইলে সর্ম্পকের অবনতি হবে। প্যারেন্টাল গাইডেন্সে তার চাইতে অন্যরা ভালই বুঝে! তাই এগুলো একরকম থ্রেটই মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে দূর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে। তাতে তার বিন্দু মাত্র আক্ষেপ নেই কারণ এগুলো আদৌ তার দূর্বলতা নয়। কিন্তু বাকীরা যদি এগুলোকে দূর্বলতা ভেবে খুশি হয় তবে বট গাছের মতো ছায়া দিতেও তার আপত্তি নেই। করুণা বিষয়টাও কোন কালে পছন্দের ছিলো না তার। অতি মানব জিনিষটাও পছন্দের না, হিপোক্রেসিটাও না। সর্ম্পকের জালে আটকা পরে গেলে আমরা বেড়িয়ে আসতে পারি না। টিপিক্যাল এশিয়ান থিউরী হতে পারে এটা। বিষয়টা আসলে কিন্তু তেমন না। বিষয়টি আসলে আমরা অতি মাত্রায় সামাজিক। যেটা মোটেও ঠিক না। আবার অন্যদিকে আমাদের আমাদের প্রেস্টিজ জ্ঞান প্রবল। জগাখিচুরী যাকে বলে। ১০ দিকে তাল মারা স্বভাব আমাদের। এই প্রেস্টিজ জ্ঞান প্রবল হওয়ার কারনে আমরা সব সময় একজন আরেকজনের চাইতে নিজেকে বেশী বুদ্ধিমান এবং উঁচু ভাবতে শুরু করি। যত নষ্টের মূল এটা। ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না থিউরীতে যদি চলে সে। তবে জীবন- যাপন কঠিন হয়ে যাবে। তবে জীবনের একটা লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য থাকতে হয়। সবার আছে সেও তাই ব্যতিক্রম নই। কেউ চাপে পরে সর্ম্পক রাখে কেউ সত্যি সর্ম্পক রাখে। ইচ্ছে করলেই লাইফ কম্পিলিকেটেড করা যায় আবার ইচ্ছে করলেই সহজ করা যায়। একবার মানুষের কাছে বিশ্বাষযোগত্য হারালে সেটা ফিরে পাওয়া সত্যি কঠিন, সেটা বোঝা উচিত বাকীদের। অতি ধার্মিক আর বক ধার্মিকের জন্য এই শতাব্দিতে পুরুষত্বের সংজ্ঞা পরিবর্তন হয়ে গেছে। তাই পুরুষত্ব প্রকাশ পাবে বলে উচিত কথা সে বলতে পারেনা। সে অন্য ১০জন মানুষের মতোই। অতি মানব না। পার্থক্যটা শুধু মাত্র এইখানে যে সে যাদের পছন্দ করে তাদের সত্যি পছন্দ করে। এমন ভাবে পছন্দ করে যে খুব প্রিয় দুইজনের ঝগড়া লাগলে সত্যিটি জানার পরেও বলতে পারে না। কারণ বললে মনে হয় আরেকজন কষ্ট পাবে। সাধারণ একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যদি কেউ কমেন্ট করে সে তার জায়গাতেই ফিরে যাক, আশা ছেড়ে দিক। তারপরেও সে কিছু বলেনা। কারন সে যাদের পছন্দ করে তাদের সত্যি পছন্দ করে একবিন্দু পরিমান খাদ নেই তাতে। কালো প্রসঙ্গ উঠলে সে তার দাদীর মতো বলে “কালা হইলে কি হইবো অন্তরটা ধলা” কারন কাটিয়ে নিতে চায়। সেটা যদি কেউ দূর্বলতা ভেবে ফায়দা উঠায় তবেও সে বিন্দু মাত্র দুঃখিতবোধ করবে না। এমনটা যদি তাকে অতি মানব পরিচয়ে পরিচিত করে তবে সেটা তার দোষ নয়। তার দোষ হতে পারে এটা যে সে জীবনকে সহজভাবে পরিচালিত করতে চাই। এটা কি আদৌ কোন দোষ? বললাম না ইচ্ছে করলেই জীবনে কম্পিলিকেটেড করা যায়। এই লেখাটাই এর উত্তম উধাহরণ। সারর্মম হচ্ছে অনেক রির্জাভ থাকতে হবে মানুষের সাথে সেটা যত আপনজনই হোক না কেন! ব্যাক্তিত্ব বজায় রাখতে হবে, সেটা যত কষ্টেরই হোক না কেন! এতেই সবার সাথে সর্ম্পক ঠিক রাখা যাবে। অনেকটা রোবট জীবন। এক কান দিয়ে ঢুকাতে হবে অন্য কান দিয়ে বের করতে হবে এই নীতির উপর বড় নীতি নাই! সে কি চাইলো এটা সে আর তার আল্লাহ ছাড়া কারো বোঝার সাধ্য নাই। হতে পারে এটা বাকীদের ব্যর্থতা। অনেকটা হো থিউরী।
যতকিছুই হোক না কেন সে ভাঙ্গা চোরা মোবাইলটা হাতে নিয়ে বার বার ভাইব্রেশনের অপেক্ষায় থাকবে কারন সে মনে করে না বাকীরা অবুঝ আর তার প্রচন্ড রকম সহ্য শক্তি আছে। আবার এটাও হতে পারে অপেক্ষা করতে করতে সে নিজেই কল করবে। কারন এতে করে যদি অন্তত বাকীরা খুশি হয় তবে সেও খুশি। ত্যাগী চরিত্র আর কি।
শক্ত কইরা একটা গালি দিতে ইচ্ছা করতাছে। কিন্তু গালিটা দিলে তোর প্রতি অবিচার করা হয়। তোর কি কোন চাওয়া পাওয়া নাই, গবেট কোথাকার?
Leave a Comment » |
ish labidish |
Permalink
Posted by Iqram