পশ্চাদমূখীদের শব্দের ব্যবহার। পুরানা জামানার বাক-রীতি। ইহা লালন করিয়া অধুনিক সংলাপ!? হা… হা… হা… দিস ইজ ঠোঠ্যালী ন্যাঁকামী ম্যান। দিস ইজ প্রগতীর অন্তরায়। ইউ শুড বি প্রগতীশীল ম্যান। লিসন মি, শীত গরম ১২ মানথ পরিধেয় বস্ত্রের রুটিনে থাকিবে পাজামা আর খদ্দরের লম্বা পাঞ্জাবী।
চাদর কি লাগিবে একখানা দাদা?
খবরদার শুধু কাঁধে ঝুলিয়ে রাখবি কশ্মিন কালেও মুরি দিবি নে যেন। ক্ষুর কাঁচির স্পর্শ ছাড়া লম্বা দাড়ি নতুবা নিত্য শেভ। কঁলকির ধুর্ম্রজালে আচ্ছাদিত ফ্রেম। আর শোন ঐযে আছে না… ঐযে… আরে ঐযে… হ বুঝছি। দেখলেই নাক শিটকাবি গালি দিবি শালা প্রতিক্রিয়াশীল, সেকেলে, মধ্যযুগীয়, ধর্মান্ধ, কুপমন্ডুক, মৌলবাদী বইলা। বেটা ‘ইয়াতিম’ কোথাকার আগে কি তোর কোন ‘যিন্দেগী’ ছিলো? ৩৬ বছর অপার বাংলার শব্দ চয়ন এবং স্টাইল এর ব্যাপারে ‘তালিম’ দিলাম ‘মেহেরবানী’ করিয়া ‘কামিয়াবে’র জন্য ‘এন্তেজার’ কর! ‘তরক্কী’ দেখিবার পালা এখন।
চলার পথে হাজারো রং তামাসা নজরে পড়ে আমার, তখন ভাবি আর মনে মনে বলি লাথি মারি তোর বানোয়াট আদুরে স্বদেশী ভাবের কপালে। কারন তোর ‘ইলম’এ আমার মোটেও ‘তালিম’ নাই, ‘ঈমান’ও নাই। হিতোপদেশের ধারের কাছে নাই বরং হাততালি দিয়ে বলিবো হেতা-হেতীর নেটনামচায় যাও। অতঃপর হও আগোয়ান, চিত্ত-সুখে নিত্য আনন্দ করো। ইচ্ছে হয়তো কাপড়ের জঞ্জালমুক্ত হইয়ে বানর নৃত্য করো। অথবা ন্যাংটো পাগলটার মতো আনন্দে দিওয়ানা হয়ে ছাগল সেজে না হয় দর্শকদের পাগল করো। কাকের মতো নয়ন মুদিয়া নিমফল খাও। অবশ্য যাদের বিবেকের আয়নায় মুখ পড়ে না তারাই বেশী ফাল পাড়ে। লাগামহীনভাবে বুলি ছাড়ে। আর আমি দর্শক সাড়িতে বসিয়া উইদ’আউট লাউড স্পীকারে চিল্লাই “মারহাবা”, “মারহাবা” ওয়ান’স মোর।
পরিশেষে রিপিট করিবো যাযাকুমুল্লাহ খাইরুন।