আজ ২৮শে অক্টোবর। আমরা যারা ইউরোপে থাকি তারা আজ ঘড়ির কাঁটা ১ ঘন্টা পেছনে টেনে নেই। যদি একটি বছর পিছিঁয়ে নিতে পারতাম।
আজ ২৮শে অক্টোবর। ভাগ্য ভাল শহীদ মুজাহিদরা একদল হায়নার হাতে দেশ লুণ্ঠিত হতে দেয়নি। নিজের জীবন দিয়ে রুখে দিয়েছে সেই সকল হায়নার ক্ষমতার লোভকে। এই প্রযুক্তির যুগে স্বাধীন বাংলাদেশকে রক্ষায় এমন ত্যাগী সন্তান বাংলার বুকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। এরাই দেশের স্বাধীনতা রক্ষার মূল শক্তি। গায়ের জোরের রাজনীতি শুরু হয় ৭১ এর স্বাধীনতার পরে। মরহুম মুজিবর রহমানকে ফুলানো ফাপানোর জন্য কিছু চামচা অদ্ভুত এক ত্বত্ত প্রসব করে। যার নাম দেয়া হয় মুজীববাদ। তাদের যুক্তি লিঙ্কন আঙ্কেল গনতন্ত্র এবং স্বাধীনতা দিয়েছে সমাজতন্ত্র দিতে পারেনি। মার্কস সাহেব সমাজতন্ত্র দিয়েছে কিন্তু গনতন্ত্র আর স্বাধীনতাকে কেয়ারই করেনি। এই চামচারা গনতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রকে বিকৃত করে রেখেছে। এই মুজিববাদ নামক বেজন্মা এই মতবাদটিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য গঠিত হলো রক্ষীবাহিনী। লাল বাহিনী, নীল বাহিনী আর সেচ্ছাসেবক বাহিনীও হানাদার পাকিস্তানীদের ন্যায় নির্যাতন করা শুরু করলো। এখান থেকেই গায়ের জোড়ের রাজনীতি শুরু। আর্মি রাস্তা নামলো, ৭৫ এ রজপাত হলো। ২০০৬ এ কিন্তু ঐ সকল চামচা প্রজাতীরা গায়ের জোড়ে আর লগি বৈঠার ভয় দেখিয়ে তাদের ভ্রান্ত মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে এবং ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলো। শহীদ মুজাহিদরা সেটা করতে দেয়নি। বাধ্য হয়ে দেশের স্বাধীনতা এবং গনতন্ত্র রক্ষার জন্য আবার আর্মি ব্যারাক থেকে বেড়ুলো। সেকালে মেজর জলিলরা নির্যাতিত হয়েছে স্বাধীনতা রক্ষা করতে গিয়ে আর এখন হচ্ছে মুজাহিদরা। নির্বাচনের সময় এলে যারা হেজাব দিয়ে রাঙে ঐ সকল মুজিববাদী ভন্ড গনতন্ত্রের সেবকদের গনতন্ত্রের সবক শহীদ মুজাহিদরা দিয়ে গেছে।

আজ ২৮শে অক্টোবর। ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাহিত করতে চাওয়া হচ্ছে আজো। দূনীর্তি বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং ২৮শে অক্টোবর থেকে মানুষের নজর ভিন্ন দিকে প্রভাহিত করার প্রয়াস চলছে আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের একটি বানীকে ঘিড়ে। এ বানীটি কিন্তু নতুন নয় সকলেই জানে এবং মানে। বিষয়টি এমন নয় যে নেঙটি পড়ে হাউকাউ শুরু করতে হবে। ইসলাম পন্থিদের বিষয়ে মিডিয়ার এই ভেল্কিবাজী নতুন কিছু নয়। সবাই একটি বিষয় খেয়াল করেছে কিনা যানি না। আমাদের বিজ্ঞ সাংঘাতিক সাংঘাতিক সাংবাদিকগন ঐ বানীর লিফলেট নিয়ে দৌড়ে গেলেন গুপ্ত, সাজিয়াদের কাছে। একজন সাংবাদিকে মাথায় কাজ করলো না যে আমরা যদি যাই তবে আমাদের যাওয়া উচিত একজন প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধার কাছে। কি ধরনের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ৭১ কে ব্যবহার করা হচ্ছে এটা বোঝার ক্ষামতা থাকলে বোধহয় গরু ছাগলও মাথা নিচু করে ফেলতো। ইনু মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে সেটা বিষয় নয়। কিন্তু সশস্ত্র আন্দোলনে বিশ্বাসী একজন উগ্র চিন্তা চেতনার মানুষ কি করে গনতন্ত্র বলে ফাল পারে সেটা হচ্ছে বিষয়। মুক্তিযুদ্ধের ঠিকাদারী আমরা আওয়ামী লীগকে দেইনি। যাই হোক গুপ্ত কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো আপনার তাদের বিচার করনেনি কেন? উত্তরে গুপ্ত’জি বলেছেন অতীত ভুলে যেত।
আজ ২৮শে অক্টোবর। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন দিন পাওয়া কঠিন যেদিন বাংলাদেশে কি ঘটেছে তা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অবলোকন করেছে।
আজ ২৮শে অক্টোবর। আমি অপরাধীদের বিচার চাই। আমার দেশে একটি বিচার ব্যবস্থা আছে আছে প্রশাসন আমার দেশ ৭২ থেকে ৭৫ এর মতো নয়। আমি গন আদালতের ধার ধারিনা। আইন নিজের হাতে তুলে নেই না। মামলা করা আছে। প্রমাণ রয়েছে। স্বাক্ষী রয়েছে। শহীদ মুজাহিদদের হত্যাকান্ডের বিচার চাই।
আজ ২৮শে অক্টোবর। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ২৮শে অক্টোবর নিয়ে আলোচনা করবো সমালচোনা করবো গল্প লিখবো, কাব্য করবো, দু:খ করবো, দোয়া করবো। আর বিচার পাওয়ার পরেও ২৮ অক্টোবরের এ অওয়ামী লীগের, মিডিয়ার এবং বাংলাদেশের স্টুপিড বুদ্ধিজীবিদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবো সমালোচনা করবো নিন্দা করবো ধিক্কার দিবো। আওয়ামী লীগের মুখোশ উম্মোচন করবোই।
আজ ২৮শে অক্টোবর। প্রতি ২৮শে অক্টোবর আমরা ধর্মনিরপেক্ষতার এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের নামধারী উগ্র ধর্মনিরোপেক্ষ জঙ্গীদের ধিক্কার জানাবো এবং
তাদেরকে গনতন্ত্র এবং মনবতার সবক দিয়ে যাবো।
আজ ২৮শে অক্টোবর। বাংলার মাটিতে ঐ সকল দূনীর্তিবাজ সন্ত্রাসী ধর্ষণকারী অবিশ্বাসীদের স্থান দিবোনা। ব্যালটের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক উপায়ে এদের নিশ্চিন্ন করে দেয়া হবে। যেমনটি ২০০১ এ করা হয়েছিলো। যুদ্ধটা এখনো জিয়ে আছে বিশ্বাস আর অবিশ্বাসীদের।
আজ ২৮শে অক্টোবর। মৌসুমি হেজাবী মহিলার হিংসাকে প্রশ্রয় দিবোনা। হায়নাদের রুখে দিবো। হাফিজের ছড়া আমার পড়া হয়না। তারা একটা ছড়ার
কয়েকটি লাইন তুলে দিচ্ছি:
ছড়ার নাম সংলাপ
মামু, গদি ছাড়া কেমুন করে নির্বাচনে যামু?
ক্যান, বৈঠা এবং লগি!!
ভাইঙগা দিমু গনতন্ত্রের চোদ্দৌগুষ্ঠির বগি,
ভাইংগা দিবোআদালতের শির,
আপমরা হলাম মুক্ত স্বাধীন স্বপ্ন বাবার পীর।
তয় একটু খানি ভয়,
হারামজাদা ভোটারগুলো মনের মতো নয়।
হাজারে চেষ্টা করলেও ২৮শে অক্টোবরের মানবতাহানি এবং দূর্নীতির বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ চলছে তার থেকে বাংলাদেশের জনগনের নজর ভিন্ন দিকে সড়িয়ে নিতে পারবেনা অভাগা অবিশ্বাসীরা।
Posted by Iqram
Posted by Iqram
Uncategorized | Tagged:
Posted by Iqram