আমাদের সীমান্তে ভারতীয়দের নোংরামি নতুন কিছু নয়। এটি একটি নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে। হান্নান সরকার আর কৃষ্ণপদ দাসের মৃত্যও তেমনি নতুন কোন ঘটনা না। যারা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধকে বহির্বিশ্বে তুলে ধরে ইন্দো-পাক ওয়ার হিসেবে তারা বাংলাদেশ নামক একটি ভূ-খন্ডকে তাদের একটি অঙ্গ রাজ্য বিবেচনা করে যদি ৬ মাসে ৮০ জনকে জন কাতেল করে যায়, আমাদের সমুদ্রসীমায় ঢুকে তেল গ্যাস সন্ধান করে যায়, দেশের উত্তর – পশ্চিমাঞ্চলকে মরুভূমিতে পরিনত করে, তাতে কি ভারতের দূর্নাম হবে? এটা কি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নয়? উহু মোটেও না বরং বানরমুখো আম্রিকান “ঝোপ” ওয়ালা আর আফ্রিকান বংশদ্ভুত পরচুলা লাগানো মহিলা পরগাছাটা সন্ত্রাস দমনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মনমোহন সিং এর ইকনোমিক্যাল কানন্ট্রিটার সাথে নতুন নতুন সম্পর্ক গড়বে। উহা কি দৈহিক নাকি চুক্তি স্বাক্ষর সে ব্যাপারে আমার চেয়ে ভাল উনারাই বলতে পারেবন।
আমি আর “দাদা”দের নিয়ে কি বলবো বরং আমি আমার দেশের জগৎশ্ঠে ওরফে সুশিল ওরফে মানবতার বন্ধুদের নিয়েও কিছু বলার যোগ্যতা রাখিনা। তারপরেও গত কয়েকদিরে পত্রিকা খুললে যেটা দেখা যায় সেটা মানুষ হিসেবে আমাকে লজ্জিত করে। ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের মতো এড়িয়াতে আমাদের স্বাধীনতার হকদার ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ বিএসএফ কর্তৃক বিডিআর হত্যার প্রতিবাদের মিছিলে হামলা চালায়। মেজর জেনারেল ফজলুর রহমানকে কারো মনে আছে কিনা জানি না। সেই রৌমারী হিরো যিনি “দাদা নমস্কার নীতি” থেকে বেড়িয়ে আসতে পেরেছিলেন কিন্তু বেড়িয়ে আসলে হবে কি তাকে আমাদের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্সি আজকাল রাজাকার বলেন। ইন্টারপোলের হিসেবে নাকি বাংলাদেশী আপরাধীদের সিংহভাগ অপরাধীই ভারতে রাষ্ট্রীয় অতিথী হিসেবেই আছেন। ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের দেশের সেই সকল কৃতি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে বর্তমানে পরিচিত নেতাদের মতো তারা তাসে তুরপ মারাতে বা উইস্কির বোতল নিয়ে বসে না থেকে সেখানে ব্যবসা করছেন। ভারত সরকারের অনুগ্রহ নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। সেই সাথে আমাদের বঙ্গ সন্তানদেরও। বাংলাদেশে ৬৭০টিরও অধিক রেজিস্ট্রিকৃত মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন আছে। সেক্টর কমান্ডাররা আছ্নে। কয়েকদিন আগে যারা একজন ইরেগুলার ফ্রিডম ফাইটারের পশ্চাদে লাথি মারাকে কেন্দ্র করে ২য় আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ করার ঘোষণা মিনিটে মিনিটে দিচ্ছেন তাদের কাউকে টু শব্দটি করতে দেখা যায়নি। কারন হচ্ছে উনারা ৭১ এ কে রাজাকার ছিলো আর কে আল- বদর ছিলো তা নির্নয় করছেন, তাদেরকে বিচার নামক প্রহসন করার জন্য সভা সেমিনারে ব্যস্ত উনারা। এখন দরকার রাজাকার বিচারের নামে জাতিকে বিভক্ত করা। আমি জানিনা তাদের এই বালখিল্যতার কারনটি কি? কারন আমি খুজতে চাইনা। আমার ভয় হচ্ছে উনার না আবার বলে বসেন ৩০ লাখ মারা না যাওয়া পর্যন্ত চেতনা জাগ্রত হয় না! বিষয়টি যেন এমন ৯ মাসে ৩০ লাখ আর ৬ মাসে ৮০ জন এইটা কোন বিষয় হইলো। ভারত আগে ৩০ লাখ ১জন (৩০০০০০১) মেরে নেক পরে দেখা যাবে।
তাদের এ সকল খিস্তি খেউর আমার কাছে বি এস এফর গুলির মতোই মনে হয়। দেশের জন্য ভালবাসা দেয়া ছাড়া আমার এখনো কিছু দেয়ার সুযোগ হয়ে উঠেনি তাই বলবো
“সবুজে শ্যামলে আঁকা থোকা থোকা জুঁই
নাও, নদী, ঢেউ, জল, দেবনা কিছুই
উজাড় দু হাত জুড়ে শোধ দেব ঋণ
দেবনা সীমানা ছেড়ে ইঞ্চি জমীন…”
এতোটুকু দায়বদ্ধতা থেকেই এই লেখা যে দায়বদ্ধতাটুকু আমাদের মুখের সামনে লাউড স্পীকার নয়ে বসে থাকা গোঁফ বা চশমাধারী উপাধিয়ালাদের নেই। প্রবালকে কাছে পেলে জিজ্ঞাসা করতাম “তুই প্রায়ই বলতি তুই যতটা না বাংলাদেশকে ভালবাসিস তার চেয়ে বেশী ঘৃনা করিস ভারতকে” এটা তু্ই কেন বলতি?

Posted by Iqram