একটি প্রবাদ আছে “রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই”। প্রবাদটি যেমন সত্য তার চেয়ে বেশী সত্য এবং গ্রহণযোগ্য প্রবাদ হচ্ছে “আমরা ভবিষ্যত জানি না এবং অতীত থেকে শিক্ষা নেই না”। আমরা যদি একটু অতীতে ফিরে যাই তাহলে আমাদের ইতিহাস একটি জাতী হিসেবে আরকটি জাতীর চেয়ে অভিন্ন নয়। দেশের রক্ষক এবং পরিচালক যখন মুখোমুখি অবস্থান করে তখন একটি দেশে গনতন্ত্র যেমন প্রাতিষ্ঠানিক রুপ নিতে পারে না তেমিন উন্নয়নও সম্ভবপর হয় না। সেই ৭১ এ আমরা আবার ফিরে যাই। ৭১ এ বর্বতার হর্তাকর্তা ছিলো সেই সেনাবাহিনীর কর্তা ব্যাক্তিরাই। চলে যাই ৭২ এ, রাজনৈতিক নেতারা ভিনদেশী স্বার্থ রক্ষার জন্য জনগনের আশা আকাংখাকে পাশ কাটিয়ে জনগনের তাদের হাত, মুখ এবং চোখে যে কালো কাপড় বেধে দিয়েছিলো সেটুক বাদ দিলেও একটি গনতান্ত্রিক সংবিধান উপহার দিতে পেরেছিলো। ৭৫ এ চলে আসি। ৭৫ এর আগষ্ট বিপ্লব ট্রাজিডি হলেও সবথেকে নির্মম সত্য হচ্ছে এর হর্তাকর্তারার সেনা কর্মকতা। তার চেয়ে বড় দূর্ভাগ্যের বিষয় এরা মুক্তিযোদ্ধাও। বিষয়টি এখানেই থেমে থাকেনি। তদান্তীন সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং নৌ-বাহিনী প্রধানরা খন্দকার মোশতাকের প্রতি আনুগত্য প্রর্দশন করে এই হত্যাকান্ডের অনূমোদন দিয়েছিলো। জেলখানাতে চার নেতার মৃত্যু ঘটে এই সেনাবাহিনীর আলতো ট্রিগ্রারের ছোঁয়ায়। খালেদ মোশাররফের হত্যাকান্ডও ঘটে সেনা সদস্যদের হাতে। কর্নেল তাহেরের একই পরিস্থিতি। মেজর জেনারেল মঞ্জুর কর্তৃক জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে প্রাণ হারাতে হয়েছে সেনা কর্মকর্তাদের হাতেই। বিচারপতি আব্দুস সাত্তার আসলেন। নির্বাচিত হয়ে আসা এই বৃদ্ধ মানুষটিকে রাইফেলের বাট দেখিয়ে দমিয়ে দিলো সেই সেনাবাহীনিই। ১১ই জানুয়ারীতেও ২০০৮ এও একই কর্ম সম্পাদিত হলো সেই সেনাবাহিনী দ্বারাই। তার মধে আবার এই ক্যু এর আর একটি রি ক্যু করতে গিয়ে জেনারেল মাসুদ এখন গৃহবন্দী। এই সময়টুকুর মধ্যে রাজনীতিবিদদের ভুলগুলোর অন্যতম ছিলো ৭৫ এর বাকশাল কায়েম করা। এছাড়া তেমন কোন কারণ ছিলো না যেখানে গনতান্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেয়াটা বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের জন্য কষ্টকর হয়ে পরে। একথাগুলো বলার কারন হচ্ছে মঈন ইউ খানের ভাষ্যমতে সেনাবাহিনীর জরুরী অবস্থা জারীর (আই ওয়াশ্ড বাই ইয়াজুদ্দীন আহমেদ) প্রধান করান ছিলো ২৮শে অক্টোবরের মতো রক্তপাত বন্ধ করে একটি নির্বাচন দেয়া। কিন্তু গদির মখমল যখন অতীতের মতো সেনাবাহিনীকে আবারও হাতছানি দেয় তখন মঈন ইউ খানরা সে লোভ সামলে উঠতে না পেরে নতুন এজেন্ডা রাজনীতিবিদ নিধনে মিশন একমপ্লিশড করতে উঠে পরে লাগেন। বাংলাদেশে গনতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রুপ নিতে না পারার জন্য রাজনীতিবিদরা যেমন দায়ী সেই দায়টি সেনাবাহিনীও এড়াতে পারেনা। এ যখন হয় অবস্থা তখন আমার বলতে হয় ‘হু এল্স টু ব্লেইম?’
ভিন্ন বিবেচনায় আরো একটি বিষয় সামনে আসতে পারে তা হচ্ছে ধর্ম “ইসলাম”। ৭১ যেমন ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়েছিলো। এখন সেই রুপে ইসলামকে ব্যবহার করা যাচ্ছেনা বিধেয় ভিনদেশীরা আমাদের গর্বের বিষয় যে সেনাবাহিনী তাকে আজ ব্যবহার করছে। কারন মুসলিম দেশগুলোর গনতান্ত্র র্চচায় তারা খুবই উদ্বিগ্ন। আলজেরিয়া এবং তুরস্কতে আমরা এধরনের অবস্থা দেখেছি যেখানে সেনাবাহিনী এবং রাজনীতিবিদরা মুখোমুখি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি কি হয় সেটা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
ভিন্ন বিবেচনায় আরো একটি বিষয় সামনে আসতে পারে তা হচ্ছে ধর্ম “ইসলাম”। ৭১ যেমন ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়েছিলো। এখন সেই রুপে ইসলামকে ব্যবহার করা যাচ্ছেনা বিধেয় ভিনদেশীরা আমাদের গর্বের বিষয় যে সেনাবাহিনী তাকে আজ ব্যবহার করছে। কারন মুসলিম দেশগুলোর গনতান্ত্র র্চচায় তারা খুবই উদ্বিগ্ন। আলজেরিয়া এবং তুরস্কতে আমরা এধরনের অবস্থা দেখেছি যেখানে সেনাবাহিনী এবং রাজনীতিবিদরা মুখোমুখি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি কি হয় সেটা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।