পর্দার অন্তরালে ব্র্যাক

September 28, 2008

স্ত্রীর নেয়া ব্র্যাকের ঋণের টাকার জামিনদার হওয়ায় প্রাণ দিতে হয়েছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের দরিদ্র রিকশা চালক আবদুর রশিদকে (৫০)। বুধবার সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ব্র্যাক কার্যালয়ের পেছন থেকে একটি নারিকেল গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারের পর থেকে ব্র্যাক ম্যানেজারসহ তিন কর্মকর্তা-কর্মচারী পলাতক রয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা একে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগণ্ডা গ্রামের দরিদ্র রিকশা চালক আবদুর রশিদের স্ত্রী মোমেনা বেগম ব্র্যাক থেকে দুই দফায় ২৫ হাজার টাকা ঋণ নেয়। সুদে-আসলে এ ঋণ ৩৫ হাজার টাকায় দাঁড়ায়। এ টাকা শোধ করতে না পেরে মোমেনা বেগম কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম চলে যায়। ব্র্যাক কর্মকর্তারা ঋণগ্রহীতা মোমেনা বেগমকে না পেয়ে তার ঋণের জামিনদার স্বামী আব্দুর রশিদকে মঙ্গলবার দুপুরে ব্র্যাক চৌদ্দগ্রাম অফিসে ধরে নিয়ে আটকে রাখে। বুধবার সকালেই রশিদের মৃত্যুর খবর আসে।

ব্র্যাকের এরিয়া ম্যানেজার আহমেদ শরীফ বলেন, ম্যানেজার শ্যামল, শাহীন ও নাইটগার্ডকে খুঁজে পেলে ব্যাপারটি জানা যাবে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

সুশীলের আক্কেল দাঁত

September 12, 2008

মীনা ফারাহ পেশায় দন্ত চিকিতসক। পিতৃ পরিচয়ে ব্রাক্ষণ। ফরহাদ রেজাকে বিয়ে করে মুসলিম নাম নিয়েছিলো। বছর খানেক আগে তার আক্কেল দাঁত গজিয়েছিলো। দেশে (শেরপুরে) ফিরে সে শেরপুরের যুদ্ধপরাধী নামে একখান ডকুমেন্টরী করে আমাদের সেনাবাহীনি প্রধানের কাছে সোর্পদ করেছিলেন। হঠাত হঠাত করে তার আক্কেল দাঁত উঠে। আরেকবার উঠেছিলো তখন মেজর জিয়াকে হিটলারের সাথে তুলনা করে একটি বইও লিখেছিলেন। দন্ত চিকিতসক হওয়ার জন্যই কি তার ঘন ঘন আক্কেল দাঁত উঠে কিনা তা বলতে পাচ্ছি না। 

গত কয়েকদিন আগে তার আবার আক্কেল দাঁত উঠেছিলো।
এবারের আক্কেল দাঁতটি খুবই স্পর্শকাতর।
এবারের আক্কেল দাঁত তার ছেলেকে নিয়ে। শাফায়েত রেজা জয় তার ছেলের নাম। ধর্মে একজন মুসলমান। খবর পেলাম তার ছেলে সড়ক দূর্ঘটনায় কয়েকদিন কোমা’তে থেকে মারা গেছেন। মুসলিম ধর্মানুসারে তার লাশ দাফনের প্রস্তুতি নিলে মিনা ফারাহর আক্কেল দাঁত সেখানে বাধ সাজে। মীনা ফারাহর জেদের কারনে তাকে হিন্দু ধর্মানুসারে সতকার করা হয়। কি করুন পরিস্থিতি! সুশীলের পুত্র হওয়াতে কি করুন পরিস্থিতিতে তাকে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হলো। শাফায়েতকে যদি একবার পৃথিবীতে আনা হতো সে তার সুশীল মা’কে কি বলতো?
পৃথিবীর সাঁড়ে তিন হাত জমিনও তার পাওয়া হলোনা। হায়রে সুশীল!