একজন বারাক হোসাঈন ওবামা

February 18, 2008

My job is not to represent Washington to you, but to represent you to Washington.- Barack Obama.

বর্তমান যুগে কেউ বিশ্বাস করুক বা না করুক যুক্তরাষ্ট্র যে বিশ্বের মোড়ল এটা দিবালোকের মতোই সত্য। তবে এটাও সত্য যে দেশটি মানবাধিকার লংঘণসহ ক্ষমতার অপব্যবহার করে। তাই তৃতীয় বিশ্বের মানুষ হিসেবে রাষ্ট্রীয় মিথ্যাচারী আলোড়িত এই দেশটির দিকে নজর পরাটা স্বাভাবিক। প্রাক নির্বাচনী হাওয়া বইছে সেখানে এখন। ডেমোক্রেটদের প্রাক নির্বাচন জড়িপ প্রায় শেষের দিকে। হিলারি, ওবামা জড়িপে বারাক হোসাঈন ওবামা এগিয়ে আছেন তাতে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তার দুই দুটি খারাপ দিক আছে। এক দিকে তিনি আফ্রিকান এমেরিকান আই মিন কৃষ্ণাঙ্গ এবং ভিন্ন দিকে তিনি একজন মুসলিম বংশদ্ভুত। ভিন্ন দিকে হিলারি একজন সাবেক প্রেসিডেন্টের স্ত্রী হিসেবে যথেষ্ঠ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডেমোক্রেটিয়ান। ক্লিনটনের ইমপিচমেন্ট ইস্যুর সময় মহিলার ধৈর্য্য এবং প্রজ্ঞা আমাকে অভিভূত করেছে। যোগ্যতার কথা বিচার করলে ওবামাও কিন্তু পিছিয়ে নেই। তা ছাড়া একই সাথে দুদুটি খারাপ গুন থাকার জন্য তার সিমপ্যাথি সার্পোটও আছে। আবার সিমপ্যথির কথা বিচার করলেও হিলারীও পিছিয়ে নেই কারন তিনি একজন মহিলা প্রতিযোগী। দুজনের একজনও কারো থেকে কম নয়। তারপরেও কি শেষ রক্ষে হবে ওবামার কারন ওবামাকে নিয়ে প্রাক নির্বাচনী প্রচারাভিজানে মিডিয়া তাকে ভাল কভারেজ দিচ্ছে। যা দৃষ্টিকটু লাগছে আমার কাছে। যদি সে ক্যান্ডিডেট হয়ে যায় তবে কি রিপাবলিকানদের পোয়াবাড়ো নয়? যোগ্য সংখ্যাগুরু রিপেজেন্টভিকে মিডিয়া হটিয়ে দিয়ে একজন অধিকতর যোগ্য সংখ্যালঘুকে রিপ্রেজেন্টটেভি বানাচ্ছে, এটার ফায়দা কি রিপাবলিকানরা নিবেনা। কিছুই বলতে হবে না শুধু মিডিয়া এতুটুকু বললেই চলবে “ওবামা একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতিনিদ্ধিত্তকারী”।

ওবামা অথবা হিলারি একজনও যদি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তবে যুক্তরাষ্ট্রে একটি ইতিহাস রচিত হবে। কাউবয়ের দু‘মেয়াদে অতিষ্ঠ আমেরিকানরা কি একটা নতুন ইতাহাস তৈরী করবে? করলেও কি খুব একটা কিছু হবে? না তা মনে করি না কারন, কি রিপাবলিক আর কি ডেমোক্রেট তাদের পররাষ্ট্রনীতি বিতর্কিতই রয়ে যাবে বলে আমার ধারণা। তারপরেও কেউ যদি বলে তোমার পছন্দ কাকে, রাখঢাক না রেখে বলবো ওবামাকে। না সে মুসিলম বংশদ্ভুত তাই তাকে পছন্দ করছি বিষয়টি আসলো সেটি নয়। কথাবার্তায়, তারুণতে ¡ওবামাকে আমার কাছে একজন সংবেদনশালী ও দায়িত্ববোধ সম্পন্ন ব্যাক্তি মনে হয়েছে। তার ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার বইটির রিভিউ পরে একটু দূর্বলও হয়েছি বইটা পড়ার জন্য। রাষ্ট্রীয় কাজে এক কথায় রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে তাকে একজন মহিলা এবং বাঁদর মুখোর উত্তরসূরীর চাইতে বেশী যোগ্য বলেই মনে হয়। নারীর অমর্যাদা করছিনা। আমি বলেছি ‘রাষ্ট্রীয় কাজে এক কথায় রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে ’ (তাছাড়া অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে একজন নারী পুরুষের চাইতে অধিক যোগ্যতা সম্পন্ন)।

যদিও কৌশিক ‘দার মতো আমি একে বারে শতভাগ শিওর না ওবামা আগামী দিনে মার্কিনিদের প্রতিনিধিত্ব করবে, তার পরেও বলবো: সুপ্রিয় ওবামা, শুধু আমেরিকাই নয় তৃতীয় বিশ্বও পরিবর্তন চায়। তারা বুঁক বেধে স্বপ্ন দেখে, মার্কিনিরা সহিংসতায় হাঁপিয়ে উঠেছে, তারা ইরানের দিকে আর আঙুল তাক করছে না। ইরাকে বোমা ফাটছে না। প্যালেষ্টাইন স্বাধীন হয়েছে সেখানে শিশু কিশোররা দুবেলা শান্তি মতো খাবার খেতে পারছে, ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পাড়ছে। সৌদী আরবে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়েছে। ওসামা বিন লাদেন ধরা পড়েছে। গুয়ান্তনেমো বে থেকে নিরপরাধ বন্দীরা মুক্তি পাচ্ছে। তারা মানবাধিকার লংঘন করছে না। আপনাদের হাতে শান্তির ফর্মূলা আছে কেন সেটা বোতলে আটকে রেখেছেন? বোতলের ছিপিটা খুলে দিন না…

আমেরিকায় প্রবাসী অনেক বাংলাদেশী ব্লগার আছেন স্যামহোয়ার ইন এ। তারা যদি তাদের মতামত ব্লগে শেয়ার করতেন তাহলে সেখানকার বাতাস আমরাও গায়ে লাগাতাম।

অফিশিয়াল ওয়েব সাইট


২৮শে অক্টোবর

October 28, 2007

 

আজ ২৮শে অক্টোবর। আমরা যারা ইউরোপে থাকি তারা আজ ঘড়ির কাঁটা ১ ঘন্টা পেছনে টেনে নেই। যদি একটি বছর পিছিঁয়ে নিতে পারতাম।

আজ ২৮শে অক্টোবর। ভাগ্য ভাল শহীদ মুজাহিদরা একদল হায়নার হাতে দেশ লুণ্ঠিত হতে দেয়নি। নিজের জীবন দিয়ে রুখে দিয়েছে সেই সকল হায়নার ক্ষমতার লোভকে। এই প্রযুক্তির যুগে স্বাধীন বাংলাদেশকে রক্ষায় এমন ত্যাগী সন্তান বাংলার বুকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। এরাই দেশের স্বাধীনতা রক্ষার মূল শক্তি। গায়ের জোরের রাজনীতি শুরু হয় ৭১ এর স্বাধীনতার পরে। মরহুম মুজিবর রহমানকে ফুলানো ফাপানোর জন্য কিছু চামচা অদ্ভুত এক ত্বত্ত প্রসব করে। যার নাম দেয়া হয় মুজীববাদ। তাদের যুক্তি লিঙ্কন আঙ্কেল গনতন্ত্র এবং স্বাধীনতা দিয়েছে সমাজতন্ত্র দিতে পারেনি। মার্কস সাহেব সমাজতন্ত্র দিয়েছে কিন্তু গনতন্ত্র আর স্বাধীনতাকে কেয়ারই করেনি। এই চামচারা গনতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রকে বিকৃত করে রেখেছে। এই মুজিববাদ নামক বেজন্মা এই মতবাদটিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য গঠিত হলো রক্ষীবাহিনী। লাল বাহিনী, নীল বাহিনী আর সেচ্ছাসেবক বাহিনীও হানাদার পাকিস্তানীদের ন্যায় নির্যাতন করা শুরু করলো। এখান থেকেই গায়ের জোড়ের রাজনীতি শুরু। আর্মি রাস্তা নামলো, ৭৫ এ রজপাত হলো। ২০০৬ এ কিন্তু ঐ সকল চামচা প্রজাতীরা গায়ের জোড়ে আর লগি বৈঠার ভয় দেখিয়ে তাদের ভ্রান্ত মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে এবং ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলো। শহীদ মুজাহিদরা সেটা করতে দেয়নি। বাধ্য হয়ে দেশের স্বাধীনতা এবং গনতন্ত্র রক্ষার জন্য আবার আর্মি ব্যারাক থেকে বেড়ুলো। সেকালে মেজর জলিলরা নির্যাতিত হয়েছে স্বাধীনতা রক্ষা করতে গিয়ে আর এখন হচ্ছে মুজাহিদরা। নির্বাচনের সময় এলে যারা হেজাব দিয়ে রাঙে ঐ সকল মুজিববাদী ভন্ড গনতন্ত্রের সেবকদের গনতন্ত্রের সবক শহীদ মুজাহিদরা দিয়ে গেছে।

আজ ২৮শে অক্টোবর। ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাহিত করতে চাওয়া হচ্ছে আজো। দূনীর্তি বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং ২৮শে অক্টোবর থেকে মানুষের নজর ভিন্ন দিকে প্রভাহিত করার প্রয়াস চলছে আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের একটি বানীকে ঘিড়ে। এ বানীটি কিন্তু নতুন নয় সকলেই জানে এবং মানে। বিষয়টি এমন নয় যে নেঙটি পড়ে হাউকাউ শুরু করতে হবে। ইসলাম পন্থিদের বিষয়ে মিডিয়ার এই ভেল্কিবাজী নতুন কিছু নয়। সবাই একটি বিষয় খেয়াল করেছে কিনা যানি না। আমাদের বিজ্ঞ সাংঘাতিক সাংঘাতিক সাংবাদিকগন ঐ বানীর লিফলেট নিয়ে দৌড়ে গেলেন গুপ্ত, সাজিয়াদের কাছে। একজন সাংবাদিকে মাথায় কাজ করলো না যে আমরা যদি যাই তবে আমাদের যাওয়া উচিত একজন প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধার কাছে। কি ধরনের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ৭১ কে ব্যবহার করা হচ্ছে এটা বোঝার ক্ষামতা থাকলে বোধহয় গরু ছাগলও মাথা নিচু করে ফেলতো। ইনু মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে সেটা বিষয় নয়। কিন্তু সশস্ত্র আন্দোলনে বিশ্বাসী একজন উগ্র চিন্তা চেতনার মানুষ কি করে গনতন্ত্র বলে ফাল পারে সেটা হচ্ছে বিষয়। মুক্তিযুদ্ধের ঠিকাদারী আমরা আওয়ামী লীগকে দেইনি। যাই হোক গুপ্ত কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো আপনার তাদের বিচার করনেনি কেন? উত্তরে গুপ্ত’জি বলেছেন অতীত ভুলে যেত।

আজ ২৮শে অক্টোবর। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন দিন পাওয়া কঠিন যেদিন বাংলাদেশে কি ঘটেছে তা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অবলোকন করেছে।

আজ ২৮শে অক্টোবর। আমি অপরাধীদের বিচার চাই। আমার দেশে একটি বিচার ব্যবস্থা আছে আছে প্রশাসন আমার দেশ ৭২ থেকে ৭৫ এর মতো নয়। আমি গন আদালতের ধার ধারিনা। আইন নিজের হাতে তুলে নেই না। মামলা করা আছে। প্রমাণ রয়েছে। স্বাক্ষী রয়েছে। শহীদ মুজাহিদদের হত্যাকান্ডের বিচার চাই।

আজ ২৮শে অক্টোবর। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ২৮শে অক্টোবর নিয়ে আলোচনা করবো সমালচোনা করবো গল্প লিখবো, কাব্য করবো, দু:খ করবো, দোয়া করবো। আর বিচার পাওয়ার পরেও ২৮ অক্টোবরের এ অওয়ামী লীগের, মিডিয়ার এবং বাংলাদেশের স্টুপিড বুদ্ধিজীবিদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবো সমালোচনা করবো নিন্দা করবো ধিক্কার দিবো। আওয়ামী লীগের মুখোশ উম্মোচন করবোই।

আজ ২৮শে অক্টোবর। প্রতি ২৮শে অক্টোবর আমরা ধর্মনিরপেক্ষতার এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের নামধারী উগ্র ধর্মনিরোপেক্ষ জঙ্গীদের ধিক্কার জানাবো এবং
তাদেরকে গনতন্ত্র এবং মনবতার সবক দিয়ে যাবো।

আজ ২৮শে অক্টোবর। বাংলার মাটিতে ঐ সকল দূনীর্তিবাজ সন্ত্রাসী ধর্ষণকারী অবিশ্বাসীদের স্থান দিবোনা। ব্যালটের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক উপায়ে এদের নিশ্চিন্ন করে দেয়া হবে। যেমনটি ২০০১ এ করা হয়েছিলো। যুদ্ধটা এখনো জিয়ে আছে বিশ্বাস আর অবিশ্বাসীদের।

আজ ২৮শে অক্টোবর। মৌসুমি হেজাবী মহিলার হিংসাকে প্রশ্রয় দিবোনা। হায়নাদের রুখে দিবো। হাফিজের ছড়া আমার পড়া হয়না। তারা একটা ছড়ার
কয়েকটি লাইন তুলে দিচ্ছি:

ছড়ার নাম সংলাপ
মামু, গদি ছাড়া কেমুন করে নির্বাচনে যামু?
ক্যান, বৈঠা এবং লগি!!
ভাইঙগা দিমু গনতন্ত্রের চোদ্দৌগুষ্ঠির বগি,
ভাইংগা দিবোআদালতের শির,
আপমরা হলাম মুক্ত স্বাধীন স্বপ্ন বাবার পীর।
তয় একটু খানি ভয়,
হারামজাদা ভোটারগুলো মনের মতো নয়।

হাজারে চেষ্টা করলেও ২৮শে অক্টোবরের মানবতাহানি এবং দূর্নীতির বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ চলছে তার থেকে বাংলাদেশের জনগনের নজর ভিন্ন দিকে সড়িয়ে নিতে পারবেনা অভাগা অবিশ্বাসীরা।


বিজ্ঞজনের সাথে সহবাস- ভার্চুয়াল রাজনীতি!

August 3, 2007

যারা নিজের ইচ্ছায় লেখে আবার অনিচ্ছায় লিখে আমি তাদের মতো একজন। সব সময় যে খুব আনন্দে লিখি তা কিন্তু নয়। আসলে লিখতে লিখতে একটি বিষয় নিয়ে কূল কিনায়ার পৌছাতে চাই। কোন সময় পাই কোন সময় পাইনা। তাতে কোন কিছু আসে যায়না। অপারেশন দূর্নীতি নিয়ে বড় বড় চুনোপুটিরা অনেক লেখা লেখি করে গেছে! এটা নিয়ে নতুন করে কিছু লেখার নেই। তবে প্রতিদিনে ফলোআপগুলো বেশ মচৎকার। মাটি থেকে ইচ্ছে করলেই এক হাত উপর দিয়ে হাঁটা চলা ফেরা করা যায় যখন দেখি আমাদের সময় মতো দৈনিকের সার্টিফিকেট (মক্তমনাদের সার্টিফিকেট ছাড়াতো আমাদের চলে না তাই)। কিন্তু এটা করা আল্লাহর সাথে বিটলামির সমতুল্য হবে। তাই অফ যাই।

ব্লগে পরিচিত ডানপন্থিদের (বিজ্ঞজনদের মতে উগ্র ডানপন্থি) একঘরে করে রাখা বা আলোচিত করে তোলার নষ্টামি অনেক পুরানা। এখানে তথাকথিত প্রগতীবাদীদের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখারা একটা ন্যাকামি বেশ স্পষ্ট। কেউ যদি বিশ্বাসি এবং দেশপ্রেমিক এক সাথে হয় তবে তাকে সামাজাকি ভাবে পাত্তা দেয়ার অভ্যেশ এখনো এখানে গড়ে উঠেনি। এই ব্যর্থতার দায়ভার নিবে এমন কোন ব্যাক্তির অর্বিভাব এখনে হয়নি। এর বাইরে যারা আছে তাদের উপর শান্তি বর্ষিত হউক। আস্তিক (বিজ্ঞজনদের মতে উল্লুক কা পাঁঠা কিংবা দুনিয়ার যাবতীয় বিটলামি উহাদের দ্বারাই সম্ভব) আর নাস্তিক (দুনিয়ার যাবৎ ভাল কাজ তাহাদের দ্বারাই সম্ভব তথা মানবতার বন্ধু) আর আরেকটা পন্থি রয়েছে যারা আবার প্রকৃত আস্তিকদের সম্মান দেখাতে চান তাও আবার ব্লগে এনাউন্স করে এবং পরপরই তাহার জীবনের যত যৌবন জ্বালা আছে তা উগ্রে দিয়ে। যাই হোক এরকম ক্যাটাগরাইজ না করে কেউ যদি ভাল কিছু লিখে এবং তা যদি জাতীয় স্বার্থের অনুকূলে হয় তবে তা প্রকাশ থেকে শুরু করে সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে। তবে যদি বিদ্বেশ ছড়ানোর জন্য কোন কিছু লেখা হয় তবে লেখকের ……. বাঁশ দিয়ে হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেয়ার পক্ষপাতি আমি। এই বিদ্বেষ তৈরীর বীজ বপনকারীদের বিরুদ্ধে আমার বিদ্বেষ থাকবে চিরকালই। কারণ আমি ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বিশ্বাসি। যদিও আদর্শবাদীদের সামাজিক সংর্ঘষ এখনো মিমাংশিত নয়। আর এই যুদ্ধে নাস্তিক্যবাদের পথও ছেড়ে দেয়া হয়নি। তবে তাদের বোঝা উচিৎ এটা প্রতিবন্ধকতার প্রথম ধাপ আই মিন কাউকে অফিশিয়ালি ব্যান্ড করা (ব্যাক্তিগতভাবে আমি এর বিরোধী)। নৌকার এক পাশ ভারি করার পক্ষে আমি নই! তবে আমার দুশ্চিন্তার কিছু নেই কারণ যে কেউ টপরেটেড পোষ্টগুলোর দিকে তাকালে বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবে। আবার এক ব্যাক্তির জন্য সময় এবং নদীর শ্রোতের মতো কোন আন্দোলনও থেমে থাকবেনা সেটা যত ভন্ডামী সম্বলিতই হোক না কেন। তারপরেও যদি কেউ বলে যায় সাইটটি এক পেশে হয়ে গেছে তবে তার জন্য আমার করুণা করা ছাড়া কিছুই নেই। তারিক বিন যিয়াদ স্পেনের যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের সময় নিজের সব জাহাজ পুড়িয়ে পিছু হটার পথ বন্ধ করে দিয়েছিলেন তাই যারা মনে করবে বিশ্বাসিরা পিছু হটে যাবে তাদের আশায় গুড়েবালি। যারা এক ডিগ্রি বেশী বুঝে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাটা অতি দু:স্বাহসিকতা। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চলেনা। লড়াই করার দরকারো নাই শুধু জানিয়ে দিতে চাই আমি তাদের সাথে একমত নই। এটাই শির উঁচু করে দাঁড়ানো। বিজয় আসবে কি আসবে না সেটাও আমার দেখার বিষয় নয়। বিজয় দেয়ার সময় হয়েছে কিনা সেটা ঠিক করার দায়- দায়িত্ব সম্পূর্ন আল্লাহর। তবে ইকুয়েশনে যেটা বলে সেটা হচ্ছে আমার শস্য আমি ঘরে তুলতে পারবো কারন আমি বিজয়ের চিন্তা করিনা আমার দায়িত্ব শতভাগ পালন করছি কিনা সেটার উপর গুরুত্ব দেই। আর যে বিজয়ের চিন্তা করে সে বিজয় না পেলে হতাশ হয় এবং এই হতাশাই তাকে পথভ্রষ্ট করে, যেমনটি আজকালের তথাকথিতদের অবস্থা।

তবে সৃজনশীল কর্মের পৃষ্ঠপোষক যারা তাদের দ্বারা একটি জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব। আর তাদের দ্বারাই সম্ভব একটি কমিউনিটি ব্লগকে সজীব করে তোলা। ভিন্ন দিকে প্রতিক্রিয়াশীল না হলে এই ব্লগে টিকে থাকাটাও মুশকিল! আর যে জানে এবং যে জানে না তারা কখনো সমান নয়।

সামহোয়ার ইন ব্লগকে অর্কাযকর প্রমানের চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানাই!