মীনা ফারাহ পেশায় দন্ত চিকিতসক। পিতৃ পরিচয়ে ব্রাক্ষণ। ফরহাদ রেজাকে বিয়ে করে মুসলিম নাম নিয়েছিলো। বছর খানেক আগে তার আক্কেল দাঁত গজিয়েছিলো। দেশে (শেরপুরে) ফিরে সে শেরপুরের যুদ্ধপরাধী নামে একখান ডকুমেন্টরী করে আমাদের সেনাবাহীনি প্রধানের কাছে সোর্পদ করেছিলেন। হঠাত হঠাত করে তার আক্কেল দাঁত উঠে। আরেকবার উঠেছিলো তখন মেজর জিয়াকে হিটলারের সাথে তুলনা করে একটি বইও লিখেছিলেন। দন্ত চিকিতসক হওয়ার জন্যই কি তার ঘন ঘন আক্কেল দাঁত উঠে কিনা তা বলতে পাচ্ছি না।
গত কয়েকদিন আগে তার আবার আক্কেল দাঁত উঠেছিলো।
এবারের আক্কেল দাঁতটি খুবই স্পর্শকাতর।
এবারের আক্কেল দাঁত তার ছেলেকে নিয়ে। শাফায়েত রেজা জয় তার ছেলের নাম। ধর্মে একজন মুসলমান। খবর পেলাম তার ছেলে সড়ক দূর্ঘটনায় কয়েকদিন কোমা’তে থেকে মারা গেছেন। মুসলিম ধর্মানুসারে তার লাশ দাফনের প্রস্তুতি নিলে মিনা ফারাহর আক্কেল দাঁত সেখানে বাধ সাজে। মীনা ফারাহর জেদের কারনে তাকে হিন্দু ধর্মানুসারে সতকার করা হয়। কি করুন পরিস্থিতি! সুশীলের পুত্র হওয়াতে কি করুন পরিস্থিতিতে তাকে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হলো। শাফায়েতকে যদি একবার পৃথিবীতে আনা হতো সে তার সুশীল মা’কে কি বলতো?
পৃথিবীর সাঁড়ে তিন হাত জমিনও তার পাওয়া হলোনা। হায়রে সুশীল!
একবার ভেবে দেখুন। একটি মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের সংগঠক ভিন্ন একজন মুক্তিযোদ্ধাকে পেটাচ্ছে। সেই সুত্র ধরে সেই মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে এটা জামাতি মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। বিষয়টা এমন যেন, যে মুক্তিযোদ্ধারা ইসলামী এবং জাতীয়তাবাদী চেতনাভাবাপন্ন, স্যাকুলারিস্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থা বাংলাদেশে দেখতে চায়না সেই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের কোন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন করার অধিকার নেই। এখান থেকেই পরিস্কার একটি সরল রেখা টানা সম্ভব। মুক্তিযোদ্ধারা একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত কিন্তু এর দায়- দায়িত্বের আঙুলটি গিয়ে পরছে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর উপর। বিবেক যাদের আছে তারা সকলেই বুঝতে সক্ষম যে মুক্তিযোদ্ধাদেরও রাজনৈতিক চাহিদা রয়েছে আর দশটি সাধারন মানুষের মতোই। প্রশ্ন করা যেতে পারে এই রাজনৈতিক বিবেচনায় যেখানে একজন দলীয় কর্মী ভিন্ন দলীয় কর্মীকে রাস্তায় সাপ মারার মতো মেরে ফেললেও আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ কলংকিত হয়না সেখানে কি দুই মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন হাতাহাতি মারামারি করেলে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ কি প্রশ্নবিদ্ধ হবে? এদের সকলেরই এক একটি রাজনৈতিক পরিচয় আছে। সেই বিবেচনায় যদি কোন দলের কর্মী কাউকে দু-কথা শুনিয়ে দেয় তবে কি মুক্তিযুদ্ধ অশুদ্ধ হয়ে যাবে? এদের কি যুদ্ধাপরাধী বলে স্লেশাত্মক গালী দেয়া যাবে? মজার ব্যপার হচ্ছে বামপন্থি দলগুলো বিভিন্ন সভা, সেমিনারে বিবৃতির মাধম্যে এই শেষ কাজটিই করে বেড়াচ্ছে। সাধুদের মিডিয়া পার্টনার ইটিভি এ ব্যপারে খুবই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে। মিথ্যাচারের দিক থেকে এরা উর্দ্ধে। মিথ্যাবাদীতার ব্যরোমিটারে এদের মিথ্যে মাপা সম্ভব নয়। কথিত ইটিভি চারুকলা, আজিজ সুপার মার্কেটসহ বিভিন্ জায়গায় অবাঞ্চিত। রাজনৈতিক স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করতে করতে আমারা এমনই করুন সময়ে অবতীর্ন হয়েছি যেখানে আমাদের দেখতে হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি অবস্থান। অনেকে হয়তো আমাকে হুমায়ুন আযাদের মুক্তিযোদ্ধা রাজাকারের সংজ্ঞা শুনিয়ে দিতে কী-বোর্ডের উপর হুমরি খেয়ে পড়বেন। সাবধান! ভুলেও একাজটি করা ঠিক হবেনা। কারন এ সংজ্ঞা যদি যর্থাতও হয় তবে শুধু আলী আমন নয় সকল মুক্তিযোদ্ধাই এর আওয়তায় পরতে পারেন কিন্তু এযুগে যারা ইসলামী চিন্তাভাবাপন্ন তারা কিন্তু রাজাকার প্রমানিত হবেন না। এর থেকে বড় ব্যর্থতা ইসলাম বিরোধীদের আর কি হতে পারে? ওয়াট সুড নেকস্ট? আমি জানি তবুও উনাদের মাথা খুলবে না। মুক্তিযুদ্ধের দর উনার কষাকষি করেই যাবেন। যার ফল হবে ভয়ানক। তখন একটি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ নয় বরং হাজারটি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ হবে। মুখোমুখি না হয়ে তারা কাঁধে কাঁধ মেলাবে। আর ইসলাম বিরোধীদের খোদাদ্রোহী কর্মকান্ডের সমুচিত জবাব দিবে। যার পথ খুলে দিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ তথা রাষ্ট্রে ইসলাম বিরোধী শক্তির জন্য একটি প্রচির তৈরী করার কাজ শুরু করেছে। আর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ যদি জামায়াত সমর্থিত হয়েই থাকে তবে বিষয়টি আরো ভয়ানক কারণ এ কথাটি দিবালোকের মতোই সত্য যে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধারা পরবর্তী পরিস্থিতে জামায়তের সর্মথক ও কর্মী হিসেবে কাজ করছে। সাধু যদি বুদ্ধিমান হয় তবে সঠিক পথে ফিরে আসার জন্য চাটি মারার প্রয়োজন পরবেনা। অবশ্যই নৈতিকতার অবক্ষয়রোধে ধর্ম অপরিহার্য।
আজ ২৮শে অক্টোবর। আমরা যারা ইউরোপে থাকি তারা আজ ঘড়ির কাঁটা ১ ঘন্টা পেছনে টেনে নেই। যদি একটি বছর পিছিঁয়ে নিতে পারতাম।
আজ ২৮শে অক্টোবর। ভাগ্য ভাল শহীদ মুজাহিদরা একদল হায়নার হাতে দেশ লুণ্ঠিত হতে দেয়নি। নিজের জীবন দিয়ে রুখে দিয়েছে সেই সকল হায়নার ক্ষমতার লোভকে। এই প্রযুক্তির যুগে স্বাধীন বাংলাদেশকে রক্ষায় এমন ত্যাগী সন্তান বাংলার বুকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। এরাই দেশের স্বাধীনতা রক্ষার মূল শক্তি। গায়ের জোরের রাজনীতি শুরু হয় ৭১ এর স্বাধীনতার পরে। মরহুম মুজিবর রহমানকে ফুলানো ফাপানোর জন্য কিছু চামচা অদ্ভুত এক ত্বত্ত প্রসব করে। যার নাম দেয়া হয় মুজীববাদ। তাদের যুক্তি লিঙ্কন আঙ্কেল গনতন্ত্র এবং স্বাধীনতা দিয়েছে সমাজতন্ত্র দিতে পারেনি। মার্কস সাহেব সমাজতন্ত্র দিয়েছে কিন্তু গনতন্ত্র আর স্বাধীনতাকে কেয়ারই করেনি। এই চামচারা গনতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রকে বিকৃত করে রেখেছে। এই মুজিববাদ নামক বেজন্মা এই মতবাদটিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য গঠিত হলো রক্ষীবাহিনী। লাল বাহিনী, নীল বাহিনী আর সেচ্ছাসেবক বাহিনীও হানাদার পাকিস্তানীদের ন্যায় নির্যাতন করা শুরু করলো। এখান থেকেই গায়ের জোড়ের রাজনীতি শুরু। আর্মি রাস্তা নামলো, ৭৫ এ রজপাত হলো। ২০০৬ এ কিন্তু ঐ সকল চামচা প্রজাতীরা গায়ের জোড়ে আর লগি বৈঠার ভয় দেখিয়ে তাদের ভ্রান্ত মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে এবং ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলো। শহীদ মুজাহিদরা সেটা করতে দেয়নি। বাধ্য হয়ে দেশের স্বাধীনতা এবং গনতন্ত্র রক্ষার জন্য আবার আর্মি ব্যারাক থেকে বেড়ুলো। সেকালে মেজর জলিলরা নির্যাতিত হয়েছে স্বাধীনতা রক্ষা করতে গিয়ে আর এখন হচ্ছে মুজাহিদরা। নির্বাচনের সময় এলে যারা হেজাব দিয়ে রাঙে ঐ সকল মুজিববাদী ভন্ড গনতন্ত্রের সেবকদের গনতন্ত্রের সবক শহীদ মুজাহিদরা দিয়ে গেছে।
আজ ২৮শে অক্টোবর। ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাহিত করতে চাওয়া হচ্ছে আজো। দূনীর্তি বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং ২৮শে অক্টোবর থেকে মানুষের নজর ভিন্ন দিকে প্রভাহিত করার প্রয়াস চলছে আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের একটি বানীকে ঘিড়ে। এ বানীটি কিন্তু নতুন নয় সকলেই জানে এবং মানে। বিষয়টি এমন নয় যে নেঙটি পড়ে হাউকাউ শুরু করতে হবে। ইসলাম পন্থিদের বিষয়ে মিডিয়ার এই ভেল্কিবাজী নতুন কিছু নয়। সবাই একটি বিষয় খেয়াল করেছে কিনা যানি না। আমাদের বিজ্ঞ সাংঘাতিক সাংঘাতিক সাংবাদিকগন ঐ বানীর লিফলেট নিয়ে দৌড়ে গেলেন গুপ্ত, সাজিয়াদের কাছে। একজন সাংবাদিকে মাথায় কাজ করলো না যে আমরা যদি যাই তবে আমাদের যাওয়া উচিত একজন প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধার কাছে। কি ধরনের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ৭১ কে ব্যবহার করা হচ্ছে এটা বোঝার ক্ষামতা থাকলে বোধহয় গরু ছাগলও মাথা নিচু করে ফেলতো। ইনু মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে সেটা বিষয় নয়। কিন্তু সশস্ত্র আন্দোলনে বিশ্বাসী একজন উগ্র চিন্তা চেতনার মানুষ কি করে গনতন্ত্র বলে ফাল পারে সেটা হচ্ছে বিষয়। মুক্তিযুদ্ধের ঠিকাদারী আমরা আওয়ামী লীগকে দেইনি। যাই হোক গুপ্ত কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো আপনার তাদের বিচার করনেনি কেন? উত্তরে গুপ্ত’জি বলেছেন অতীত ভুলে যেত।
আজ ২৮শে অক্টোবর। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন দিন পাওয়া কঠিন যেদিন বাংলাদেশে কি ঘটেছে তা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অবলোকন করেছে।
আজ ২৮শে অক্টোবর। আমি অপরাধীদের বিচার চাই। আমার দেশে একটি বিচার ব্যবস্থা আছে আছে প্রশাসন আমার দেশ ৭২ থেকে ৭৫ এর মতো নয়। আমি গন আদালতের ধার ধারিনা। আইন নিজের হাতে তুলে নেই না। মামলা করা আছে। প্রমাণ রয়েছে। স্বাক্ষী রয়েছে। শহীদ মুজাহিদদের হত্যাকান্ডের বিচার চাই।
আজ ২৮শে অক্টোবর। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ২৮শে অক্টোবর নিয়ে আলোচনা করবো সমালচোনা করবো গল্প লিখবো, কাব্য করবো, দু:খ করবো, দোয়া করবো। আর বিচার পাওয়ার পরেও ২৮ অক্টোবরের এ অওয়ামী লীগের, মিডিয়ার এবং বাংলাদেশের স্টুপিড বুদ্ধিজীবিদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবো সমালোচনা করবো নিন্দা করবো ধিক্কার দিবো। আওয়ামী লীগের মুখোশ উম্মোচন করবোই।
আজ ২৮শে অক্টোবর। প্রতি ২৮শে অক্টোবর আমরা ধর্মনিরপেক্ষতার এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের নামধারী উগ্র ধর্মনিরোপেক্ষ জঙ্গীদের ধিক্কার জানাবো এবং
তাদেরকে গনতন্ত্র এবং মনবতার সবক দিয়ে যাবো।
আজ ২৮শে অক্টোবর। বাংলার মাটিতে ঐ সকল দূনীর্তিবাজ সন্ত্রাসী ধর্ষণকারী অবিশ্বাসীদের স্থান দিবোনা। ব্যালটের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক উপায়ে এদের নিশ্চিন্ন করে দেয়া হবে। যেমনটি ২০০১ এ করা হয়েছিলো। যুদ্ধটা এখনো জিয়ে আছে বিশ্বাস আর অবিশ্বাসীদের।
আজ ২৮শে অক্টোবর। মৌসুমি হেজাবী মহিলার হিংসাকে প্রশ্রয় দিবোনা। হায়নাদের রুখে দিবো। হাফিজের ছড়া আমার পড়া হয়না। তারা একটা ছড়ার
কয়েকটি লাইন তুলে দিচ্ছি:
ছড়ার নাম সংলাপ
মামু, গদি ছাড়া কেমুন করে নির্বাচনে যামু?
ক্যান, বৈঠা এবং লগি!!
ভাইঙগা দিমু গনতন্ত্রের চোদ্দৌগুষ্ঠির বগি,
ভাইংগা দিবোআদালতের শির,
আপমরা হলাম মুক্ত স্বাধীন স্বপ্ন বাবার পীর।
তয় একটু খানি ভয়,
হারামজাদা ভোটারগুলো মনের মতো নয়।
হাজারে চেষ্টা করলেও ২৮শে অক্টোবরের মানবতাহানি এবং দূর্নীতির বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ চলছে তার থেকে বাংলাদেশের জনগনের নজর ভিন্ন দিকে সড়িয়ে নিতে পারবেনা অভাগা অবিশ্বাসীরা।
You are currently browsing the archives for the Atheism category.
Can’t see Bangla!
icomplex 1.0.1: unicode complex language script installer for windows xp
bangla font pack: bangla fonts for windows, mac and linux
ekusheyr shadhinata: unijoy bangla keyboard installer for windows
avro keyboard: unijoy, phonetic bangla keyboard installer for windows
avro converter: bangla text converter from bijoy, alpona, proshika or proborton to unicode