একবার ভেবে দেখুন। একটি মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের সংগঠক ভিন্ন একজন মুক্তিযোদ্ধাকে পেটাচ্ছে। সেই সুত্র ধরে সেই মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে এটা জামাতি মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। বিষয়টা এমন যেন, যে মুক্তিযোদ্ধারা ইসলামী এবং জাতীয়তাবাদী চেতনাভাবাপন্ন, স্যাকুলারিস্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থা বাংলাদেশে দেখতে চায়না সেই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের কোন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন করার অধিকার নেই। এখান থেকেই পরিস্কার একটি সরল রেখা টানা সম্ভব। মুক্তিযোদ্ধারা একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত কিন্তু এর দায়- দায়িত্বের আঙুলটি গিয়ে পরছে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর উপর। বিবেক যাদের আছে তারা সকলেই বুঝতে সক্ষম যে মুক্তিযোদ্ধাদেরও রাজনৈতিক চাহিদা রয়েছে আর দশটি সাধারন মানুষের মতোই। প্রশ্ন করা যেতে পারে এই রাজনৈতিক বিবেচনায় যেখানে একজন দলীয় কর্মী ভিন্ন দলীয় কর্মীকে রাস্তায় সাপ মারার মতো মেরে ফেললেও আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ কলংকিত হয়না সেখানে কি দুই মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন হাতাহাতি মারামারি করেলে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ কি প্রশ্নবিদ্ধ হবে? এদের সকলেরই এক একটি রাজনৈতিক পরিচয় আছে। সেই বিবেচনায় যদি কোন দলের কর্মী কাউকে দু-কথা শুনিয়ে দেয় তবে কি মুক্তিযুদ্ধ অশুদ্ধ হয়ে যাবে? এদের কি যুদ্ধাপরাধী বলে স্লেশাত্মক গালী দেয়া যাবে? মজার ব্যপার হচ্ছে বামপন্থি দলগুলো বিভিন্ন সভা, সেমিনারে বিবৃতির মাধম্যে এই শেষ কাজটিই করে বেড়াচ্ছে। সাধুদের মিডিয়া পার্টনার ইটিভি এ ব্যপারে খুবই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে। মিথ্যাচারের দিক থেকে এরা উর্দ্ধে। মিথ্যাবাদীতার ব্যরোমিটারে এদের মিথ্যে মাপা সম্ভব নয়। কথিত ইটিভি চারুকলা, আজিজ সুপার মার্কেটসহ বিভিন্ জায়গায় অবাঞ্চিত। রাজনৈতিক স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করতে করতে আমারা এমনই করুন সময়ে অবতীর্ন হয়েছি যেখানে আমাদের দেখতে হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি অবস্থান। অনেকে হয়তো আমাকে হুমায়ুন আযাদের মুক্তিযোদ্ধা রাজাকারের সংজ্ঞা শুনিয়ে দিতে কী-বোর্ডের উপর হুমরি খেয়ে পড়বেন। সাবধান! ভুলেও একাজটি করা ঠিক হবেনা। কারন এ সংজ্ঞা যদি যর্থাতও হয় তবে শুধু আলী আমন নয় সকল মুক্তিযোদ্ধাই এর আওয়তায় পরতে পারেন কিন্তু এযুগে যারা ইসলামী চিন্তাভাবাপন্ন তারা কিন্তু রাজাকার প্রমানিত হবেন না। এর থেকে বড় ব্যর্থতা ইসলাম বিরোধীদের আর কি হতে পারে? ওয়াট সুড নেকস্ট? আমি জানি তবুও উনাদের মাথা খুলবে না। মুক্তিযুদ্ধের দর উনার কষাকষি করেই যাবেন। যার ফল হবে ভয়ানক। তখন একটি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ নয় বরং হাজারটি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ হবে। মুখোমুখি না হয়ে তারা কাঁধে কাঁধ মেলাবে। আর ইসলাম বিরোধীদের খোদাদ্রোহী কর্মকান্ডের সমুচিত জবাব দিবে। যার পথ খুলে দিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ তথা রাষ্ট্রে ইসলাম বিরোধী শক্তির জন্য একটি প্রচির তৈরী করার কাজ শুরু করেছে। আর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ যদি জামায়াত সমর্থিত হয়েই থাকে তবে বিষয়টি আরো ভয়ানক কারণ এ কথাটি দিবালোকের মতোই সত্য যে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধারা পরবর্তী পরিস্থিতে জামায়তের সর্মথক ও কর্মী হিসেবে কাজ করছে। সাধু যদি বুদ্ধিমান হয় তবে সঠিক পথে ফিরে আসার জন্য চাটি মারার প্রয়োজন পরবেনা। অবশ্যই নৈতিকতার অবক্ষয়রোধে ধর্ম অপরিহার্য।
বিজ্ঞজনের সাথে সহবাস- ভার্চুয়াল রাজনীতি!
August 3, 2007যারা নিজের ইচ্ছায় লেখে আবার অনিচ্ছায় লিখে আমি তাদের মতো একজন। সব সময় যে খুব আনন্দে লিখি তা কিন্তু নয়। আসলে লিখতে লিখতে একটি বিষয় নিয়ে কূল কিনায়ার পৌছাতে চাই। কোন সময় পাই কোন সময় পাইনা। তাতে কোন কিছু আসে যায়না। অপারেশন দূর্নীতি নিয়ে বড় বড় চুনোপুটিরা অনেক লেখা লেখি করে গেছে! এটা নিয়ে নতুন করে কিছু লেখার নেই। তবে প্রতিদিনে ফলোআপগুলো বেশ মচৎকার। মাটি থেকে ইচ্ছে করলেই এক হাত উপর দিয়ে হাঁটা চলা ফেরা করা যায় যখন দেখি আমাদের সময় মতো দৈনিকের সার্টিফিকেট (মক্তমনাদের সার্টিফিকেট ছাড়াতো আমাদের চলে না তাই)। কিন্তু এটা করা আল্লাহর সাথে বিটলামির সমতুল্য হবে। তাই অফ যাই।
ব্লগে পরিচিত ডানপন্থিদের (বিজ্ঞজনদের মতে উগ্র ডানপন্থি) একঘরে করে রাখা বা আলোচিত করে তোলার নষ্টামি অনেক পুরানা। এখানে তথাকথিত প্রগতীবাদীদের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখারা একটা ন্যাকামি বেশ স্পষ্ট। কেউ যদি বিশ্বাসি এবং দেশপ্রেমিক এক সাথে হয় তবে তাকে সামাজাকি ভাবে পাত্তা দেয়ার অভ্যেশ এখনো এখানে গড়ে উঠেনি। এই ব্যর্থতার দায়ভার নিবে এমন কোন ব্যাক্তির অর্বিভাব এখনে হয়নি। এর বাইরে যারা আছে তাদের উপর শান্তি বর্ষিত হউক। আস্তিক (বিজ্ঞজনদের মতে উল্লুক কা পাঁঠা কিংবা দুনিয়ার যাবতীয় বিটলামি উহাদের দ্বারাই সম্ভব) আর নাস্তিক (দুনিয়ার যাবৎ ভাল কাজ তাহাদের দ্বারাই সম্ভব তথা মানবতার বন্ধু) আর আরেকটা পন্থি রয়েছে যারা আবার প্রকৃত আস্তিকদের সম্মান দেখাতে চান তাও আবার ব্লগে এনাউন্স করে এবং পরপরই তাহার জীবনের যত যৌবন জ্বালা আছে তা উগ্রে দিয়ে। যাই হোক এরকম ক্যাটাগরাইজ না করে কেউ যদি ভাল কিছু লিখে এবং তা যদি জাতীয় স্বার্থের অনুকূলে হয় তবে তা প্রকাশ থেকে শুরু করে সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে। তবে যদি বিদ্বেশ ছড়ানোর জন্য কোন কিছু লেখা হয় তবে লেখকের ……. বাঁশ দিয়ে হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেয়ার পক্ষপাতি আমি। এই বিদ্বেষ তৈরীর বীজ বপনকারীদের বিরুদ্ধে আমার বিদ্বেষ থাকবে চিরকালই। কারণ আমি ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বিশ্বাসি। যদিও আদর্শবাদীদের সামাজিক সংর্ঘষ এখনো মিমাংশিত নয়। আর এই যুদ্ধে নাস্তিক্যবাদের পথও ছেড়ে দেয়া হয়নি। তবে তাদের বোঝা উচিৎ এটা প্রতিবন্ধকতার প্রথম ধাপ আই মিন কাউকে অফিশিয়ালি ব্যান্ড করা (ব্যাক্তিগতভাবে আমি এর বিরোধী)। নৌকার এক পাশ ভারি করার পক্ষে আমি নই! তবে আমার দুশ্চিন্তার কিছু নেই কারণ যে কেউ টপরেটেড পোষ্টগুলোর দিকে তাকালে বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবে। আবার এক ব্যাক্তির জন্য সময় এবং নদীর শ্রোতের মতো কোন আন্দোলনও থেমে থাকবেনা সেটা যত ভন্ডামী সম্বলিতই হোক না কেন। তারপরেও যদি কেউ বলে যায় সাইটটি এক পেশে হয়ে গেছে তবে তার জন্য আমার করুণা করা ছাড়া কিছুই নেই। তারিক বিন যিয়াদ স্পেনের যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের সময় নিজের সব জাহাজ পুড়িয়ে পিছু হটার পথ বন্ধ করে দিয়েছিলেন তাই যারা মনে করবে বিশ্বাসিরা পিছু হটে যাবে তাদের আশায় গুড়েবালি। যারা এক ডিগ্রি বেশী বুঝে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাটা অতি দু:স্বাহসিকতা। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চলেনা। লড়াই করার দরকারো নাই শুধু জানিয়ে দিতে চাই আমি তাদের সাথে একমত নই। এটাই শির উঁচু করে দাঁড়ানো। বিজয় আসবে কি আসবে না সেটাও আমার দেখার বিষয় নয়। বিজয় দেয়ার সময় হয়েছে কিনা সেটা ঠিক করার দায়- দায়িত্ব সম্পূর্ন আল্লাহর। তবে ইকুয়েশনে যেটা বলে সেটা হচ্ছে আমার শস্য আমি ঘরে তুলতে পারবো কারন আমি বিজয়ের চিন্তা করিনা আমার দায়িত্ব শতভাগ পালন করছি কিনা সেটার উপর গুরুত্ব দেই। আর যে বিজয়ের চিন্তা করে সে বিজয় না পেলে হতাশ হয় এবং এই হতাশাই তাকে পথভ্রষ্ট করে, যেমনটি আজকালের তথাকথিতদের অবস্থা।
তবে সৃজনশীল কর্মের পৃষ্ঠপোষক যারা তাদের দ্বারা একটি জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব। আর তাদের দ্বারাই সম্ভব একটি কমিউনিটি ব্লগকে সজীব করে তোলা। ভিন্ন দিকে প্রতিক্রিয়াশীল না হলে এই ব্লগে টিকে থাকাটাও মুশকিল! আর যে জানে এবং যে জানে না তারা কখনো সমান নয়।
সামহোয়ার ইন ব্লগকে অর্কাযকর প্রমানের চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানাই!
Posted by Iqram 
Posted by Iqram
Posted by Iqram